সোমবার ১০ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
৫ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদমুক্ত ‘ন্যানো ঋণ’ চালুর উদ্যোগ বাংলাদেশ ব্যাংকের কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষায় ২৫ ল্যাপটপ দিল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বিদেশে বাংলাদেশি খেলাপিদের সম্পদ অনুসন্ধানে ৮ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ব্যাংক টাকায় বিদেশি ভ্রমণ প্যাকেজ বিক্রির সুযোগ পেলেন ট্যুর অপারেটররা: বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে প্রথমবারের মতো ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ’ অকুপেশনের টাস্ক অ্যানালাইসিস ও অকুপেশনাল ম্যাপিং করেছে এনএসডিএ পাবলিক সেক্টরে অটোমেশন সেবা নিশ্চিতে ডিজিটাল অবকাঠামো তৈরি সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করতে খসড়া নীতিমালা এনআরবিসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত অর্থবছর ২৬-এ কৃষি ঋণ বিতরণ ৪২,৮৩৪ কোটি টাকা ছাড়াল: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯.৮৩ শতাংশ বেশি

বাংলাদেশে সোনার দামের উঠানামা: ২০২৪ সালের বিশ্লেষণ

ঢাকায় একটি সোনার দোকান

২০২৪ সালে বাংলাদেশের সোনার বাজার অত্যন্ত অস্থির ছিল। বছরটিতে মোট ৬২ বার সোনার দাম পরিবর্তন হয়েছে, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। বছরের শুরুতে ২২ ক্যারেট সোনার ভরি ছিল ১ লক্ষ ১২ হাজার ৪৪১ টাকা এবং শেষে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৩৮ হাজার ২৮৮ টাকা।

দামের উঠানামা: বছরের মধ্যে সোনার দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ করা গেছে। সর্বোচ্চ দাম ছিল ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৫২৬ টাকা এবং সর্বনিম্ন ছিল ১ লক্ষ ১০ হাজার ৬৯১ টাকা।

দাম বৃদ্ধির কারণ: সোনার দামের এই উঠানামার প্রধান কারণ হিসেবে বিশ্ববাজারে সোনার দামের পরিবর্তন, মুদ্রাস্ফীতি এবং স্থানীয় বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের ভারসাম্যহীনতা উল্লেখ করা যেতে পারে।

বাজুসের ভূমিকা: বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নিয়মিতভাবে সোনার দাম নির্ধারণ করেছে এবং বাজারের পরিস্থিতি অনুযায়ী দাম পরিবর্তন করেছে।

দাম বৃদ্ধির প্রভাব: সোনার দামের এই উঠানামা সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলেছে এবং সোনার বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে।

২০২৪ সাল সোনার বাজারের জন্য অত্যন্ত চঞ্চল এক বছর ছিল। সোনার দামের এই উঠানামা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকতে পারে। তাই সোনা কেনার আগে বাজারের পরিস্থিতি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।