বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৮.১% প্রবৃদ্ধি, সংগ্রহ ৩৪.৮৪ বিলিয়ন ডলার; রিজার্ভ ৩৫.৭৪ বিলিয়ন ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ‘গ্রাহক ফোরাম’-এর বিএটি বাংলাদেশের ‘হেড অব ট্যালেন্ট, কালচার অ্যান্ড ইনক্লশন পদে রায়হান আহমেদের যোগদান

নন-লাইফ বিমায় বন্ধ হচ্ছে ব্যক্তি এজেন্ট কমিশন, কার্যকর ১ জানুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :দেশের নন-লাইফ বিমা খাতে ব্যক্তিগত এজেন্টের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা ও কমিশন প্রদানের পথ বন্ধ হচ্ছে। বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এক যুগান্তকারী নির্দেশনায় এই খাতের সকল ব্যক্তিগত বিমা এজেন্টের লাইসেন্স স্থগিত করেছে।

আগামীকাল ১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ফলে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই বিমা কোম্পানিগুলোর জন্য ব্যক্তিগত এজেন্টদের কমিশন দেওয়ার আর কোনো আইনগত সুযোগ থাকছে না।

আইডিআরএ-র নির্দেশনা:

গত ২৩ ডিসেম্বর আইডিআরএ (IDRA) কর্তৃক জারি করা এক সার্কুলারে (নম্বর: নন-লাইফ-১০৯/২০২৫) জানানো হয় যে, নন-লাইফ বিমাকারীদের অধীনে থাকা সকল ব্যক্তিগত বিমা এজেন্টের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে যে, যেহেতু ১ জানুয়ারি থেকে এই লাইসেন্সগুলো আর কার্যকর থাকবে না, তাই তাদের কোনো প্রকার কমিশন বা আর্থিক সুবিধা দেওয়া যাবে না।

আইনি বাধ্যবাধকতা:

বিমা আইন, ২০১০-এর ৫৮(১) ধারা অনুযায়ী, অনুমোদিত বিমা এজেন্ট ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে কমিশন, পারিশ্রমিক বা পারিতোষিক পরিশোধ করার কোনো সুযোগ নেই। এই আইনি কাঠামো নিশ্চিত করতেই কর্তৃপক্ষ এমন কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

কঠোর শাস্তির হুঁশিয়ারি:

আইডিআরএ জানিয়েছে, যদি কোনো বিমা কোম্পানি এই নির্দেশনা অমান্য করে কোনো ব্যক্তিকে কমিশন প্রদান করে, তবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিদ্যমান বিমা আইন ও বিধিমালা অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সব নন-লাইফ বিমাকারী প্রতিষ্ঠানকে এই কমিশন নিষিদ্ধ সংক্রান্ত নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছে। খাত সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে বিমা খাতে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অসুস্থ প্রতিযোগিতা হ্রাস পাবে।