শুক্রবার ৭ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
অর্থবছর ২৬-এ কৃষি ঋণ বিতরণ ৪২,৮৩৪ কোটি টাকা ছাড়াল: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯.৮৩ শতাংশ বেশি উন্নয়নশীল অর্থনীতির ১৬.২% শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে এআই: বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের মূল চালিকাশক্তি শিল্প কারখানার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ: আইইইএফএ রিপোর্ট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে বিটিএমএ ও বিজিএমইএর যৌথ আয়োজনে ‘বিটমা’ প্রদর্শনী সোয়িফটের নতুন ক্রস-বর্ডার পেমেন্ট স্কিমে বিশ্বের প্রথম ব্যাংক সিটি ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করে ৩,০০০ কোটি টাকা করলো ব্যাংক এশিয়া সোনালী ব্যাংকের ৫ করপোরেট শাখায় ঋণ বিতরণের সর্বোচ্চ সীমা তুললো বাংলাদেশ ব্যাংক জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব বাংলাদেশের ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে সিটি ব্যাংকের নিট মুনাফা বেড়ে ৫২৬.৬৯ কোটি টাকা

ইসলামী ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ বোর্ড গঠনে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম ‘গ্রাহক ফোরাম’-এর

ঢাকা, ২২ জুন ২০২৬ (বিডাইকোনমি ডটনেট) – ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ (বোর্ড অব ডিরেক্টর্স) গঠনের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংককে ২৪ ঘণ্টার কঠোর আলটিমেটাম দিয়েছে ‘ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরাম’।

আজ সোমবার রাজধানীর মতিঝিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ফোরামের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচি থেকে এই আলটিমেটাম দেওয়া হয়।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নূর নবী মানিক হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক যদি একটি পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠনে ব্যর্থ হয়, তবে আগামী বুধবার (২৪ জুন) থেকে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে এই প্ল্যাটফর্ম।

অধ্যাপক মানিক দাবি জানান, “সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) সাথে কাঠামোগত আলোচনার মাধ্যমে সৎ, যোগ্য এবং অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের সমন্বয়ে অনতিবিলম্বে একটি গ্রহণযোগ্য, স্বাধীন ও পূর্ণাঙ্গ পরিচালনা পর্ষদ গঠন করতে হবে।”

অবস্থান কর্মসূচি থেকে পরিচালনা পর্ষদ গঠনের পাশাপাশি ফোরামের পক্ষ থেকে আরও কয়েকটি মূল দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়। এর মধ্যে অন্যতম হলো—২০১৭ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে যেসকল উদ্যোক্তা ও শেয়ারহোল্ডারদের জোরপূর্বক সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, তাদের কাছে ব্যাংকের বৈধ করপোরেট মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া।

আন্দোলনকারীরা আর্থিক খাতের লুটেরাদের বিচারের জন্য অবিলম্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন, আত্মসাৎকৃত অর্থ সম্পূর্ণ উদ্ধার এবং বিতর্কিত এস আলম গ্রুপের সাথে জড়িত সকল স্থানীয় সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানান।

এ ছাড়া, ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮(এ) ধারা বাতিলের জোরালো দাবি জানিয়ে ফোরামের নেতারা বলেন, এই ধারাটি মূলত আর্থিক অপরাধীদের পুনরায় ব্যাংকিং খাতে পুনর্বাসনের একটি প্রচ্ছন্ন সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।

একই সাথে, জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন ফোরামের নেতৃবৃন্দ। তারা অভিযোগ করেন, এই বক্তব্যের মাধ্যমে দেশের বৃহত্তম এই শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ আবারও এস আলম গ্রুপের হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার একটি সূক্ষ্ম ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। অবিলম্বে এই বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিও জানান তারা।