মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: ক্যাব মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই এলো ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করল বাংলাদেশ ব্যাংক পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশি গ্যারান্টিতে ঋণ নিতে লাগবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি সংকট নিরসনে বেসরকারিভাবে তেল আমদানির অনুমতি চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঝুঁকিতে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স; ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw>

তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে অভিবাসী নেওয়া বন্ধের ঘোষণা ট্রাম্পের

ন্যাশনাল গার্ডের সেনাকে গুলির জের, অবৈধদের নাগরিকত্ব বাতিলেরও হুঁশিয়ারি

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে স্থায়ীভাবে অভিবাসী নেওয়া বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনাকে এক আফগান নাগরিকের গুলি করার ঘটনার জের ধরে তিনি এই কঠোর পদক্ষেপের কথা জানালেন।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সামাজিক মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল -এ (Truth Social) একটি পোস্টে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন। এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে তা পুরো বিশ্বে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ প্রতি বছর তৃতীয় বিশ্বের হাজার হাজার মানুষ উন্নত জীবন, শিক্ষা ও চাকরির সন্ধানে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান।

গতকাল ন্যাশনাল গার্ডের দুই সেনাকে গুলি করা ওই আফগান নাগরিক ২০২১ সালে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের বিশেষ অভিবাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে এসেছিলেন। সেনাদের ওপর এই গুলির ঘটনার পর দেশটির সামগ্রিক অভিবাসন ব্যবস্থা নতুন করে হুমকির মুখে পড়ল। এরপরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরাসরি এমন কঠোর ঘোষণা দিলেন।

সোশ্যাল পোস্টে ট্রাম্প যা লিখেছেন: ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “প্রযুক্তির দিক দিয়ে আমরা অনেক এগিয়েছি ঠিকই। কিন্তু ভুল অভিবাসন নীতির কারণে এসব অর্জন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে অনেক মানুষের জীবনযাপন কঠিন হচ্ছে।”

তিনি আরও লেখেন, “আমি ঠিক করেছি, যুক্তরাষ্ট্রের পুরো ব্যবস্থাকে আবার ঠিক হওয়ার সুযোগ দিতে তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ থেকে অভিবাসী আসা পুরোপুরি বন্ধ করে দেব।”

এছাড়াও, ট্রাম্প বাইডেন প্রশাসনের অভিবাসন নীতির তীব্র সমালোচনা করে লিখেছেন, “জো বাইডেনের আমলে অবৈধভাবে ঢোকা লক্ষ লক্ষ মানুষের থাকার অনুমতি বাতিল করে দেব। ঘুমন্ত বাইডেন এসব লোককে অবৈধভাবে এনেছেন।”

কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি: ট্রাম্প তাঁর পোস্টে আরও বেশ কিছু কঠোর পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করেছেন:

“যারা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কাজে আসে না, বা যারা আমাদের দেশকে মন থেকে ভালোবাসতে পারে না, তাদের সবাইকে দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবে।”

“দেশের বিদেশি নাগরিকদের সমস্ত সরকারি সুবিধা ও আর্থিক সাহায্য বন্ধ করা হবে।”

“যেসব বিদেশি আমাদের দেশের শান্তি নষ্ট করবে, তাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে।”

“যেকোনো বিদেশি, তিনি যদি দেশের বোঝা হন, নিরাপত্তার জন্য বিপদের কারণ হন, বা যুক্তরাষ্ট্রের সংস্কৃতির সঙ্গে মানিয়ে চলতে না পারেন, তাকে তাড়িয়ে দেওয়া হবে।”

ট্রাম্পের মতে, এই সবের মূল লক্ষ্য হলো—অবৈধভাবে আসা ও সমস্যা সৃষ্টিকারী মানুষের সংখ্যা অনেক কমানো। বিশেষ সুবিধায় যারা বেআইনিভাবে ঢুকেছে, তারাও এর মধ্যে পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের পরিস্থিতির উন্নতির জন্য অভিবাসীদের নিজ দেশে ফিরে যেতে হবে উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছেন, “এই অবস্থা পুরোপুরি ঠিক করার একমাত্র উপায় হলো—অভিবাসীদের আবার নিজ দেশে ফিরে যাওয়া।”