রবিবার ৯ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করতে খসড়া নীতিমালা এনআরবিসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত অর্থবছর ২৬-এ কৃষি ঋণ বিতরণ ৪২,৮৩৪ কোটি টাকা ছাড়াল: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯.৮৩ শতাংশ বেশি উন্নয়নশীল অর্থনীতির ১৬.২% শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে এআই: বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের মূল চালিকাশক্তি শিল্প কারখানার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ: আইইইএফএ রিপোর্ট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে বিটিএমএ ও বিজিএমইএর যৌথ আয়োজনে ‘বিটমা’ প্রদর্শনী সোয়িফটের নতুন ক্রস-বর্ডার পেমেন্ট স্কিমে বিশ্বের প্রথম ব্যাংক সিটি ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করে ৩,০০০ কোটি টাকা করলো ব্যাংক এশিয়া সোনালী ব্যাংকের ৫ করপোরেট শাখায় ঋণ বিতরণের সর্বোচ্চ সীমা তুললো বাংলাদেশ ব্যাংক

ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ১৭ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা, মুনাফায় বৃদ্ধি

ঢাকা, ৬ মে: আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি ২০২৪ সালের জন্য ১৭ শতাংশ লভ্যাংশ প্রস্তাব করেছে।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের এক সভায় ১৫ শতাংশ নগদ ও ২ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে।

আগামী ১৯ জুন, ২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিতব্য বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিক্রমে এই প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হবে।

২০২৪ সালের আর্থিক ফলাফল ডিবিএইচ ফাইন্যান্সের ইতিবাচক অগ্রগতি নির্দেশ করে। কোম্পানি কর পরবর্তী নীট মুনাফা ১০.৮৫ কোটি টাকা ঘোষণা করেছে, যা ২০২৩ সালে ছিল ৯৮.৪৪ কোটি টাকা। এর ফলে মুনাফায় ২.৪৫ শতাংশ বৃদ্ধি পরিলক্ষিত হয়েছে।

এছাড়াও, কোম্পানি পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ২০২৪ সালে ১৫ শতাংশ বেশি ঋণ বিতরণ করেছে এবং তাদের মূল আমানত পোর্টফোলিও ১২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক সূচকগুলোতেও উন্নতি দেখা গেছে। শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস) ৪.৯৫ টাকা থেকে বেড়ে ৫.০৭ টাকা হয়েছে এবং শেয়ার প্রতি নীট সম্পদ মূল্য (এনএভি) পূর্ববর্তী বছরের ৪৩.৬৩ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪৭.২৫ টাকা হয়েছে।

২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত, ডিবিএইচ ফাইন্যান্স ৩০.৪৬ শতাংশের শক্তিশালী মূলধন পর্যাপ্ততা অনুপাত (সিএআর) বজায় রেখেছে এবং বছরটিতে তাদের ইক্যুইটির উপর আয় (আরওই) ছিল ১১.১৫ শতাংশ।

১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ডিবিএইচ ফাইন্যান্স দেশের ১৬টি শাখার মাধ্যমে ৬০,০০০ এর বেশি পরিবারকে গৃহঋণ প্রদানের মাধ্যমে আবাসন অর্থায়ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।