সোমবার ১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
রূপপুরে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু: নভেম্বরের শেষ নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রত্যাশা ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাংকগুলোকে ৫ দফা নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের, প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নির্দেশ বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ: বিআইসিএম ও বিএএসএম-এর সেমিনারে সচেতনতা ও জালিয়াতি রোধের ওপর জোর চীন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিনিয়োগকারীদের জন্য বেপজার ডেডিকেটেড কান্ট্রি ডেস্ক চালু BAEC scientist Dr M Khalid Hossain named among world’s top 2pc researchers for 4th consecutive year ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালুমনাই অ্যাসোসিয়েশনের দিনব্যাপী আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত সিএমএসএমই খাতের ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল নভেম্বরের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশে সাশ্রয়ী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে আগ্রহী তুরস্ক, এফএসআরইউ ও এলএনজি খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব ক্যাশলেস স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট চালু<gwmw style="display:none;"></gwmw>

ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেশিরভাগ শুল্ক অবৈধ, রায় মার্কিন আপিল আদালতের

ওয়াশিংটন ডিসি: যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক বিভিন্ন দেশের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত শুল্কের অধিকাংশই অবৈধ বলে রায় দিয়েছেন মার্কিন আপিল আদালত।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) এই রায়ের ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে প্রভাব বিস্তারে ট্রাম্পের প্রধান হাতিয়ারটি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ল। খবর দিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

ওয়াশিংটন ডিসি-ভিত্তিক মার্কিন ফেডারেল সার্কিট আপিল আদালতের ৭-৪ ভোটে দেওয়া এই রায়ে ট্রাম্পের বাণিজ্যযুদ্ধের অংশ হিসেবে গত এপ্রিল মাসে আরোপিত পারস্পরিক শুল্ক এবং ফেব্রুয়ারিতে চীন, কানাডা ও মেক্সিকোর ওপর আরোপিত আরেকটি শুল্কের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। রায়ের পক্ষে মত দেওয়া সাত বিচারপতির মধ্যে ছয়জন ডেমোক্র্যাট ও একজন রিপাবলিকান আমলে নিযুক্ত। অন্যদিকে, রায়ের বিপক্ষে ছিলেন দুজন ডেমোক্র্যাট ও দুজন রিপাবলিকান প্রশাসনের অধীনে নিয়োগ পাওয়া বিচারপতি।

তবে, অন্য আইনি কর্তৃপক্ষের আরোপিত শুল্ক, যেমন ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত শুল্ক, এই রায়ের আওতার বাইরে থাকবে।হোয়াইট হাউজের দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প শুল্ককে মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির একটি মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তিনি এই হাতিয়ার ব্যবহার করে বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং বাণিজ্য চুক্তি পুনরায় আলোচনা করতে বাধ্য করেছেন।

আদালতের এই সিদ্ধান্তকে “অত্যন্ত পক্ষপাতদুষ্ট” উল্লেখ করে নিজ মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, এই শুল্কগুলো তুলে নেওয়া হলে দেশ সম্পূর্ণ বিপর্যয়ের মুখে পড়বে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সর্বোচ্চ আদালতের সহায়তায় এই রায় উল্টে যাবে।ট্রাম্প ১৯৭৭ সালের আন্তর্জাতিক জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতা আইনের (আইইইপিএ) দোহাই দিয়ে শুল্ক আরোপের পক্ষে যুক্তি দেন।

এই আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি অবস্থায় “অস্বাভাবিক ও বিশেষ” হুমকি মোকাবিলায় প্রেসিডেন্টের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। গত এপ্রিল মাসে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতিকে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন এবং বলেন, দীর্ঘদিনের বাণিজ্য ঘাটতি মার্কিন উৎপাদনশীলতা ও সামরিক প্রস্তুতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।

ঐতিহাসিকভাবে, এই আইনটি মূলত শত্রু রাষ্ট্রের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ বা সম্পদ জব্দ করতে ব্যবহৃত হয়েছে। ট্রাম্পই প্রথম প্রেসিডেন্ট যিনি আইইইপিএ ব্যবহার করে শুল্ক আরোপ করেছেন।আদালত বলেছে, আইন অনুযায়ী প্রেসিডেন্টের হাতে জরুরি অবস্থায় পদক্ষেপ নেওয়ার এখতিয়ার থাকলেও, শুল্ক আরোপের ক্ষমতা স্পষ্টভাবে দেওয়া হয়নি।

আদালতের মতে, আইন প্রণয়নের সময় কংগ্রেস প্রেসিডেন্টের হাতে শুল্ক আরোপের সীমাহীন ক্ষমতা দেওয়ার পরিকল্পনা করেনি।ট্রাম্প প্রশাসনকে সর্বোচ্চ মার্কিন আদালতে আপিলের সুযোগ দিতে আদালত আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত শুল্ক বহাল রাখার অনুমোদন দিয়েছে।