সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস: ক্যাব মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই এলো ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> ক্রেডিট কার্ডে ঋণের সীমা বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করল বাংলাদেশ ব্যাংক পহেলা বৈশাখ কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশি গ্যারান্টিতে ঋণ নিতে লাগবে না বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতি সংকট নিরসনে বেসরকারিভাবে তেল আমদানির অনুমতি চায় পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ঝুঁকিতে ১৩.৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স; ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্য সংকটে বাড়ল ডলারের দাম, আমদানিতে ১২৩ টাকা ঈদে ডিজিটাল লেনদেন নিরবচ্ছিন্ন রাখার নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের<gwmw style="display:none;"></gwmw>

জার্মান কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে টেকসই দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে অবদান রাখছে: আঞ্জা কেরস্টেন, ডেপুটি হেড অব মিশন

ঢাকা : জার্মান এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের কোম্পানিগুলোকে একত্রিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ জার্মান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিজিসিসিআই) রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) একটি ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের আয়োজন করে। গুলশানের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় জার্মান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মিসেস আঞ্জা কেরস্টেন।

অনুষ্ঠানে মিসেস কেরস্টেন তার নতুন দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতে বাংলাদেশে জার্মান ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলিত হতে পেরে আনন্দ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের সঙ্গে জার্মানির শক্তিশালী ও দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের ওপর জোর দেন এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্ভাবনে জার্মান কোম্পানিগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন।

মিসেস কেরস্টেন বলেন, “পোশাক, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং উদীয়মান শিল্পগুলোতে জার্মানির কাছে বাংলাদেশ একটি মূল্যবান অংশীদার। আমি আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে এবং নতুন সহযোগিতার পথ খুলতে এবং ব্যবসায়িক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার জন্য উন্মুখ।”

বিজিসিসিআই -এর প্রেসিডেন্ট এম. মাকসুদ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা তুলে ধরেন, বিশেষ করে পোশাক, চামড়া, পাদুকা, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং উদীয়মান রপ্তানি খাতে। তিনি বলেন, বিজিসিসিআই ব্যবসা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং কূটনৈতিক অংশীদারদের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

মাকসুদ বৈশ্বিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জগুলো নিয়েও আলোচনা করেন, যার মধ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা, ইউরোপীয় বাজারে বর্ধিত সম্মতি শর্তাবলী এবং সরবরাহ শৃঙ্খল জুড়ে টেকসইতার ক্রমবর্ধমান চাহিদা অন্তর্ভুক্ত। তিনি স্থিতিশীলতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ী, নীতি-নির্ধারক এবং কূটনৈতিক অংশীদারদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানের চেয়ার মো. রোকনুজ্জামান অংশগ্রহণকারী কোম্পানি এবং অংশীদারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সংলাপ, জ্ঞান বিনিময় এবং অংশীদারত্ব গড়ে তোলার জন্য নিয়মিত নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই অনুষ্ঠানের শেষে জার্মান ও বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ এবং বাংলাদেশের গতিশীল বাজারে ভবিষ্যতের সহযোগিতা অন্বেষণের জন্য একটি উন্মুক্ত নেটওয়ার্কিং সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন