সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি অর্জনে বিনিয়োগে জোর সরকারের: শামা ওবায়েদ এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে সরবরাহ তলানিতে: গভীর হচ্ছে গ্যাস সংকট, বাসাবাড়িতে হাহাকার অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে কোটিপতি হিসাব বেড়েছে ৭ হাজার: বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিভাগীয় মামলা ২ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সুইসটেল’ হোটেল হচ্ছে না, ৮০০ কোটি টাকায় ভবনটি কিনছে পূবালী ব্যাংক ইডিএফ ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে ২৭০ দিন করার সুযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মাস্টার সার্কুলার জারি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ‘বাংলা কিউআর’ বাস্তবায়নে সহযোগিতার আহ্বান বিডার নতুন কৌশলে সুফল: ১.৫ বিলিয়ন ডলারের পাইপলাইন থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার এফডিআই বাস্তবায়নে জুলাইয়ের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসী আয় ২৩.৫% বেড়ে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার

রোগীদের স্বার্থে হাসপাতাল খোলা রাখার সুযোগ চায় আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ

ঢাকা, ১১ জুন (বিডিইকোনমি) : মগবাজার আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্তের পর, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত শুধুমাত্র রোগীদের স্বার্থে হাসপাতালের নিয়মিত কার্যক্রম সচল রাখতে সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তারা এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করে।

সম্প্রতি ৬টি নবজাতক শিশুর আকস্মিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (ডিজিএইচএস) ঢাকার মগবাজারে অবস্থিত এই হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই আদেশের বিরুদ্ধে সরকারের কাছে আপিল করার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ৩০ (ত্রিশ) দিন সময় দেওয়া হয়েছে।

সেবা কার্যক্রম সম্পূর্ণ স্বাভাবিক

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে জানিয়েছে যে, এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পরেও মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের চিকিৎসার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল মগবাজার আদ্-দ্বীন হাসপাতালের সব ধরনের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক ও সচল রয়েছে।

আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের কোম্পানি অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর তারিকুল ইসলাম মুকুল বলেন, “চলতি চিকিৎসাসেবা যাতে কোনোভাবেই ব্যাহত না হয়, সেজন্য হাসপাতালের প্রতিটি বিভাগ সাধারণ নিয়মে খোলা রাখা হয়েছে এবং রোগীরা স্বাভাবিকভাবে সেবা পাচ্ছেন।”

চিকিৎসাধীন শতাধিক জরুরি রোগী ও নবজাতক

হাসপাতাল প্রশাসনের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হাসপাতালটির বিভিন্ন বিভাগে মোট ৪১৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। আজ ১১ জুন এক দিনেই বহির্বিভাগে (ওপিডি) প্রায় ১ হাজার রোগীকে চিকিৎসকের পরামর্শ ও স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রগুলোতে (ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট) রোগীর চাপ অনেক বেশি। বর্তমানে হাসপাতালের নবজাতক নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (এনআইসিইউ) ৬০ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া আইসিইউতে ২০ জন এবং সিসিইউতে ৪ জন হৃদরোগী ভর্তি আছেন।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পুনর্ব্যক্ত করেছে যে, এই মুহূর্তে আকস্মিকভাবে হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা শতাধিক গুরুতর অসুস্থ মানুষ এবং আশঙ্কাজনক অবস্থায় থাকা নবজাতকদের জীবন বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়বে এবং একটি মারাত্মক স্বাস্থ্য সংকট তৈরি হবে।