রবিবার ৯ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি তেল আমদানিতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করতে খসড়া নীতিমালা এনআরবিসি ব্যাংকের অর্ধবার্ষিক ব্যবসায়িক সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত অর্থবছর ২৬-এ কৃষি ঋণ বিতরণ ৪২,৮৩৪ কোটি টাকা ছাড়াল: লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৯.৮৩ শতাংশ বেশি উন্নয়নশীল অর্থনীতির ১৬.২% শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারে এআই: বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারের মূল চালিকাশক্তি শিল্প কারখানার ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ: আইইইএফএ রিপোর্ট রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে বিটিএমএ ও বিজিএমইএর যৌথ আয়োজনে ‘বিটমা’ প্রদর্শনী সোয়িফটের নতুন ক্রস-বর্ডার পেমেন্ট স্কিমে বিশ্বের প্রথম ব্যাংক সিটি ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনুমোদিত মূলধন দ্বিগুণ করে ৩,০০০ কোটি টাকা করলো ব্যাংক এশিয়া সোনালী ব্যাংকের ৫ করপোরেট শাখায় ঋণ বিতরণের সর্বোচ্চ সীমা তুললো বাংলাদেশ ব্যাংক

জাইকার আয়োজনে ‘আরবানএনভায়রনমেন্টাল বিজনেস স্টাডি ট্যুর’

দেশের নগর এলাকার পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাপানবাংলাদেশের অংশীদারিত্বের সম্ভাবনা 

ঢাকা, জুলাই ২৭: জাপানেরবিভিন্নপ্রতিষ্ঠানেরপ্রতিনিধিদেরজন্যদেশেচারদিনব্যাপীবিজনেসট্যুরআয়োজনকরেছেজাপানইন্টারন্যাশনালকোঅপারেশনএজেন্সি (জাইকা)গত২০জুলাইথেকে২৩জুলাইপর্যন্তআরবানএনভায়রনমেন্টালবিজনেসস্টাডিট্যুরশীর্ষকসফরঅনুষ্ঠিতহয়।বাংলাদেশেরপরিবেশগতচ্যালেঞ্জটেকসইসমাধানেরসার্বিকঅবস্থাএবংদেশেরদ্রুতবর্ধনশীলব্যবসাখাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনাসম্পর্কেসাম্যকধারণাঅর্জনেনয়টিজাপানিপ্রতিষ্ঠানেরপ্রতিনিধিরাট্যুরেঅংশগ্রহণকরেন।

বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের কাছে বিনিয়োগের আকর্ষণীয় এক গন্তব্যস্থল হয়ে উঠছে বাংলাদেশ; এবং দেশের বাজারে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। তবে, দ্রুত নগরায়নের কারণে বাংলাদেশ বিভিন্ন পরিবেশগত সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে অনিয়ন্ত্রিত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, অপর্যাপ্ত বর্জ্যপানি পরিশোধন ব্যবস্থা, পয়োনিষ্কাশন প্রকল্পের অপ্রতুলতা ও উচ্চমাত্রার বায়ু দূষন।

বাংলাদেশে সংস্লিষ্ট অংশীজনদের সাথে যোগাযোগ স্থাপনে ভূমিকা রাখতে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি পরিশোধন ও বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিশেষায়িত জাপানের প্রতিষ্ঠানগুলোকে এ বিজনেস স্টাডি ট্যুরে অংশ নেয়ার আহ্বান জানায় জাইকা। সফরকালে প্রতিনিধি দল বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন, যার মধ্যে রয়েছে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস), স্যানিটারি ল্যান্ডফিল সাইট, স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট ও ভূগর্ভস্থ পানি পরিশোধন কেন্দ্র। পাশাপাশি, তারা সংশ্লিষ্ট খাতে কাজ করা স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোও পরিদর্শন করেন। সরেজমিন পরিদর্শন এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বাস্তব পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করেন।

জাপানের প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি কীভাবে বাংলাদেশের পরিবেশগত এসব সমস্যার সমাধানের মাধ্যমে পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখতে পারে, এ বিষয়ে তাদের সাথে আলোচনা করেন বাংলাদেশের প্রতিনিধিগন। পাশাপাশি, তারা যেন ভবিষ্যতে জাইকার প্রাইভেট সেক্টর পার্টনারশিপ ও এসডিজি বিজনেস সাপোর্টের (জাইকা বিজ) মাধ্যমে অংশীদারিত্ব করে, এ ব্যাপারেও উৎসাহিত করা হয়। উল্লেখ্য, জাইকার এ প্রোগ্রামের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যভিত্তিক (এসডিজি) টেকসই ব্যবসায়িক মডেল উন্নয়নে ব্যবসায়ীদের সহায়তা প্রদান করা হয়।

পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো মোকাবিলা করে বাংলাদেশের টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ভবিষ্যতের পথে যাত্রাকে ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জাইকা। বাংলাদেশের উন্নয়নের যাত্রায় নেটওয়ার্ক তৈরি, জ্ঞানের বিনিময় এবং অংশীদারিত্বের সুযোগ ও সম্ভাবনা চিহ্নিত করার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতেই জাইকার এ বিজনেস স্টাডি ট্যুর আয়োজন করে।