সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সাড়ে ৫ বছর পর ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ও ইউনানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির উদ্যোগ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ১৪তম পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তনে বদলে যাচ্ছে খানাপিনার অভ্যাস, বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: গবেষণা কর্মশালায় বিশেষজ্ঞরা এসডিজি অর্জনে গতি বৃদ্ধি ও সর্বজনীন সামাজিক সুরক্ষার দাবি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হলো তিতাস-২৮ কূপের গ্যাস, দৈনিক মিলবে ১২-১৩ এমএমসিএফডি বিজিএমইএ কাপ ২০২৬-এর ট্রফি উন্মোচন ও বাফুফে অংশীদারিত্ব উদযাপন বন্ধ শিল্প ও সেবা খাত পুনরুজ্জীবনে ঋণের সুদের হার সর্বোচ্চ ৭ শতাংশ নির্ধারণ ইইউতে কমেছে পোশাক আমদানি, তবে জুন ও জুলাইয়ে বাংলাদেশের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি

কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই কৃষক কার্ডের লক্ষ্য : মাহদী আমিন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : প্রধানমন্ত্রীর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেছেন, পহেলা বৈশাখ টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্ব ঘোষিত ঐতিহাসিক ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এ মুখপাত্র বলেন, কৃষক সমাজের সরাসরি ক্ষমতায়ন ও কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই এ কৃষক কার্ডের লক্ষ্য। এ কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষকের ভাগ্যের পরিবর্তন হবে। 

আজ সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে কৃষি ও কৃষিজাত শিল্পায়নে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা জানান।  

মাহদী আমিন বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই উদ্যোগ কেবল একটি কার্ড বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করার শক্তিশালী মাধ্যম। সারা দেশের ১০ জেলার ১১টি উপজেলায় ২০ হাজারের অধিক কৃষক কার্ড দেয়া হবে।

তিনি জানান, প্রতিটি কৃষি কার্ডের বিপরীতে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন কৃষকরা। এছাড়া সুলভ মূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ, কৃষি বীমা, কৃষি ভর্তুকিসহ কৃষকরা নানা সুবিধা পাবেন।

মাহদী আমিন বলেন, আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুবিধা এবং কৃষকদের নিয়মিত উন্নত প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। সরকারি ভর্তুকি কোনো মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই সরাসরি কৃষকদের হাতে পৌঁছে দেওয়া এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য বাজারমূল্য নিশ্চিত করাও এই উদ্যোগের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।

তিনি বলেন, এই কর্মসূচি মূলত বিএনপি ঘোষিত নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবের একটি ধারাবাহিক বাস্তবায়ন, যার মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দেশের সকল স্তরের মানুষকে ক্ষমতায়ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।