শনিবার ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে খরচ ইনবাউন্ড লেনদেনের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক ও জ্বালানি সংকটের মুখেও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্পেনের বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, এটি অনন্য নজির: প্রতিমন্ত্রী অমিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার

ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট: দোকান মালিক সমিতি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: চলমান জ্বালানি সংকট সত্ত্বেও আসন্ন ঈদুল আজহার কেনাকাটার সুবিধার্থে আগামী মঙ্গলবার (১২ মে) থেকে সারা দেশের দোকানপাট ও শপিং মল রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনার পর বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।

উৎসবের প্রস্তুতিতে বর্ধিত সময়

সরকারি সাশ্রয় নীতির অংশ হিসেবে এর আগে দোকানপাট রাত ৭টার মধ্যে বন্ধ করার নিয়ম ছিল। গত ৪ মে দোকান মালিক সমিতি আসন্ন ঈদুল আজহার ভিড় সামলাতে দোকানপাট রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখার জন্য মন্ত্রণালয়ের কাছে আনুষ্ঠানিক আবেদন জানায়।

বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতির সভাপতি মো. হেলাল উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার পর সরকার রাত ১০টা পর্যন্ত সময় বাড়ানোর অনুমতি দিয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে না।

হেলাল উদ্দিন বলেন, “মন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন যে আমরা রাত ১০টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখতে পারব। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, দোকান ও মলে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা বা অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে না।”

প্রেক্ষাপট: জ্বালানি সংকট ও যুদ্ধের প্রভাব

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তজনা ও যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট তীব্র বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে মূলত দোকান খোলার সময়সীমা সীমিত করা হয়েছিল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

এই অচলাবস্থার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয় এবং সরবরাহ সংকটের সৃষ্টি হয়, যা বাংলাদেশের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে অফিসের সময় কমানো হয় এবং প্রাথমিকভাবে দোকানপাট সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের অনুরোধে সেই সময়সীমা ৭টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল, যা এখন উৎসবের মৌসুমে আরও শিথিল করা হলো।

ব্যবসায়ীদের জন্য কঠোর শর্ত

সময়সীমা বাড়ানো ব্যবসায়ীদের জন্য স্বস্তির খবর হলেও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।

  • কার্যকর হওয়ার তারিখ: ১২ মে (মঙ্গলবার)।
  • বন্ধের সময়: রাত ১০টা (ঈদুল আজহা পর্যন্ত)।
  • নিষেধাজ্ঞা: শোভাবর্ধক আলোকসজ্জা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং বিদ্যুৎ ব্যবহারে সর্বোচ্চ মিতব্যয়িতা বজায় রাখতে হবে।

ব্যবসায়ী নেতারা জানিয়েছেন, ঈদের মৌসুমের বেচাবিক্রির জন্য এই বর্ধিত সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমাতে তারা জ্বালানি সাশ্রয় সংক্রান্ত প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আরও পড়ুন