শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি

মার্চে রেকর্ড ৩.৭৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স; ২.৬৪ বিলিয়নই এসেছে বেসরকারি ব্যাংকে

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ২০২৬ সালের মার্চ মাসে দেশে আসা ৩.৭৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্সের মধ্যে ২.৬৪ বিলিয়ন ডলারই এসেছে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

একক ব্যাংক হিসেবে বরাবরের মতো শীর্ষে রয়েছে ইসলামি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি। ব্যাংকটির মাধ্যমে এ মাসে সর্বোচ্চ ৫৮৯.৮৬ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে।

মার্চ মাসে শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক: ৪৬৪.৭০ মিলিয়ন ডলার
  • ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি: ৩৯৮.৩৬ মিলিয়ন ডলার
  • অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি: ২৬৭.৭১ মিলিয়ন ডলার
  • ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি: ২৪৮.৬২ মিলিয়ন ডলার
  • জনতা ব্যাংক পিএলসি: ২২১.৬৬ মিলিয়ন ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সম্মিলিতভাবে ৬৪০.২৮ মিলিয়ন ডলার এবং বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো—যার পুরোটাই বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক আহরণ করেছে— ৪৬৪.৭০ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করেছে। এছাড়া বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১০.০২ মিলিয়ন ডলার।

২০২৬ সালের মার্চের এই রেমিট্যান্স প্রবাহ গত মাস এবং গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩.০১ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫ সালের মার্চে এসেছিল ৩.২৯ বিলিয়ন ডলার।

মার্চ মাসের এই পরিমাণ যুক্ত হওয়ার পর চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম নয় মাসে (জুলাই-মার্চ) মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৬.২০ বিলিয়ন ডলারে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার। সেই হিসেবে চলতি অর্থবছর রেমিট্যান্স প্রবাহে বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রবাসীদের পাঠানো এই রেমিট্যান্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।