শনিবার ২৭ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক: ক্যাশলেস অর্থনীতির লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ<gwmw style="display:none;"></gwmw> জ্বালানি খাতের বরাদ্দ বৈষম্য দূর ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ সানেমের<gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রণালয়গুলোতে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড বসানো হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা: গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত গ্রহণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর পরিচালনা পর্ষদের একটি উচ্চপর্যায়ের সভা বুধবার রাজধানীর ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম. জুবাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় ব্যাংকের শীর্ষ নেতৃত্ব ও বিভিন্ন কমিটির প্রধানগণ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম এফসিএ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এম মাসুদ রহমান, স্বতন্ত্র পরিচালক এস এম আব্দুল হামিদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ওমর ফারুক খান এবং কোম্পানি সচিব মো. হাবিবুর রহমান।

ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সভায় বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশীয় অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ইসলামী ব্যাংকের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের ওপর একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করা হয়। দেশের শরীয়াহ ভিত্তিক ব্যাংকিং খাতে ব্যাংকের বর্তমান অবস্থান ও অগ্রযাত্রায় পর্ষদ সন্তোষ প্রকাশ করেছে।

সভায় ব্যাংকের পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বেশ কিছু ‘গুরুত্বপূর্ণ নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত’ গ্রহণ করা হয়। গৃহীত নতুন এই নীতিমালাগুলোর বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা না হলেও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রাহকসেবার মান উন্নত করাই এসব পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ইসলামী ব্যাংকিং খাতের শীর্ষস্থান ধরে রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে সভাটি সমাপ্ত হয়।