ঢাকা, ১৯ আগস্ট (বিডিইকোনমি) — কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্ট (ব্যাংক হিসাব) স্থগিত বা ফ্রিজ করার নির্দেশ পাওয়ার পর কেবল সেই নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টের স্থিতিই নয়, তার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য হিসাবের বিস্তারিত তথ্যও অবিলম্বে জানাতে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
বুধবার (১৯ আগস্ট) বিএফআইইউ এক সার্কুলারের মাধ্যমে দেশের সব রিপোর্টিং সংস্থাকে এই নির্দেশনা দিয়েছে। বিএফআইইউ-এর পরিচালক এ কে এম গোলাম মাহমুদ স্বাক্ষরিত এই চিঠি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর আওতায় নিবন্ধিত সকল রিপোর্টিং সংস্থার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও) কাছে পাঠানো হয়েছে।
সার্কুলারে বলা হয়েছে, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (২০১৫ সালের সংশোধনীসহ)-এর ধারা অনুযায়ী প্রণীত মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯-এর বিধি ২৬(৪) অনুযায়ী—কোনো হিসাব স্থগিত করা হলে সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে স্থগিত হওয়া অ্যাকাউন্টের স্থিতির পাশাপাশি তার সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য সকল হিসাবের তথ্যও তাৎক্ষণিকভাবে বিএফআইইউ-কে অবহিত করতে হবে।
সহজ কথায়, রিপোর্টিং সংস্থাগুলো কেবল স্থগিত করা হিসাবের তথ্য দিয়েই তাদের দায়িত্ব শেষ করতে পারবে না। স্থগিত অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সরাসরি বা প্রাসঙ্গিকভাবে জড়িত অন্য কোনো হিসাব থাকলে, সেসবের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ ও বর্তমান স্থিতির তথ্যও অবিলম্বে বিএফআইইউ-এর কাছে পাঠাতে হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থাটি নতুন এই নির্দেশাবলী কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য সকল রিপোর্টিং সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছে।