শনিবার ১৫ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
ব্যাংক খাতের সংস্কারে অব্যাহত সহায়তার আশ্বাস এডিবি প্রতিনিধিদলের; গভর্নরের সাথে বৈঠক বন্ধ ও লোকসানি সরকারি কারখানা চালুতে ১৪টি বড় প্রতিষ্ঠানের ৮৬টি বিনিয়োগ প্রস্তাব বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে ভিসা প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. আকতার হোসেনের চুক্তি বাতিল রপ্তানি বহুমুখীকরণে বিশ্বমানের হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় সমতা ও অধিকার নিশ্চিতের তাগিদ: বিল্‌স-এর কর্মশালায় ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬’ চূড়ান্তকরণ জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৩২ শতাংশে: খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে বড় স্বস্তি ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে ফার্মেসি ও লাইফ সায়েন্সেস ক্যারিয়ার ফেয়ার অনুষ্ঠিত: ২৫টি শীর্ষ স্থানীয় প্রতিষ্ঠান অংশ নেয় বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা স্থগিতের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলো এলপিপি

চীনে মূল্যস্ফীতিতে স্থবিরতা: জানুয়ারিতেও অপরিবর্তিতভোক্তা সূচক, কমেছে উৎপাদন ব্যয়

ইস্তাম্বুল/বেইজিং : বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনে নতুন বছরের প্রথম মাসেও স্থবির হয়ে আছে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম। বুধবার চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (NBS) প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, দেশটিতে বর্তমানে এক ধরনের ‘ডিফ্লেশনারি’ বা মুদ্রাসংকোচনের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

প্রধান সূচকগুলোর চিত্র

চীনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে অর্থনৈতিক সূচকগুলোর অবস্থা ছিল নিম্নরূপ:

  • ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI): বার্ষিক ভিত্তিতে মাত্র ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ডিসেম্বরে এই বৃদ্ধির হার ছিল ০.৮ শতাংশ, অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির গতি আরও কমেছে।
  • উৎপাদনকারী মূল্য সূচক (PPI): কারখানা পর্যায়ে পণ্যের দাম বা উৎপাদন খরচ কমেছে ১.৪ শতাংশ। যদিও গত ডিসেম্বরের তুলনায় (১.৯ শতাংশ হ্রাস) এই পতনের মাত্রা কিছুটা কম।
  • কোর ইনফ্লেশন: খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাদ দিয়ে কোর ইনফ্লেশন বা মূল মূল্যস্ফীতি ছিল ০.৮ শতাংশ

খাতভিত্তিক মূল্য পরিবর্তন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যের দাম ০.৭ শতাংশ এবং জ্বালানির দাম প্রায় ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মূলত এই দুই খাতের দরপতনই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে নিচের দিকে টেনে ধরেছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে চীনে ভোক্তা মূল্য সূচক ধারাবাহিকভাবে ১ শতাংশের নিচেই অবস্থান করছে।

লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন ও চ্যালেঞ্জ

টানা কয়েক বছর ধরে চলতে থাকা এই স্থবিরতার কারণে চীন সরকার তাদের বার্ষিক মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে এনেছে। সাধারণত এই লক্ষ্যমাত্রা ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা থাকলেও, মুদ্রাসংকোচনের ঝুঁকি বিবেচনায় এ বছর তা কমিয়ে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার অভাব এবং আবাসন খাতের মন্দাই চীনের এই দীর্ঘমেয়াদী স্বল্প মূল্যস্ফীতির প্রধান কারণ। ২০২৫ সালে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি প্রায় শূন্যের কোঠায় ছিল এবং ২০২৬ সালের শুরুতেও সেই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।