মঙ্গলবার ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৬ সালের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে দেশের নিট এফডিআই বেড়েছে ১২.৭৮ শতাংশ, মূল চালিকাশক্তি পুনর্বিনিয়োগকৃত আয় জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে তিন মূল ভিত্তির ওপর জোর দিলেন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ড. এ.কে.এম. শামছুল ইসলাম ব্যস্ত পেশাজীবীদের জন্য ভিভো ওয়াই৩২: দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি ও বিশেষ অফারে বাজারে এলো নতুন স্মার্টফোন<gwmw style="display:none;"></gwmw> ডিজিটাল জালিয়াতি রোধ ও সচেতনতার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ‘বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ ২০২৬’ হয়রানি বন্ধ ও কমিশন পুনর্নির্ধারণের দাবিতে ১৫-১৬ অক্টোবর এলপিজি পরিবেশকদের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক মোংলা ইপিজেডে ১৭ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে চীনের লংটেং গার্মেন্টস<gwmw style="display:none;"></gwmw> ইসলামী ব্যাংকের ১৬৮তম ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রাম শুরু মেটলাইফের বীমা সুবিধা পাবেন উল্কাসেমির কর্মীরা বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করল টেটনের এআই নির্ভর বহনযোগ্য ‘মাই ইসিজি’ যন্ত্র

চীনে মূল্যস্ফীতিতে স্থবিরতা: জানুয়ারিতেও অপরিবর্তিতভোক্তা সূচক, কমেছে উৎপাদন ব্যয়

ইস্তাম্বুল/বেইজিং : বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি চীনে নতুন বছরের প্রথম মাসেও স্থবির হয়ে আছে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্যের দাম। বুধবার চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (NBS) প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, দেশটিতে বর্তমানে এক ধরনের ‘ডিফ্লেশনারি’ বা মুদ্রাসংকোচনের ধারা অব্যাহত রয়েছে।

প্রধান সূচকগুলোর চিত্র

চীনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে অর্থনৈতিক সূচকগুলোর অবস্থা ছিল নিম্নরূপ:

  • ভোক্তা মূল্য সূচক (CPI): বার্ষিক ভিত্তিতে মাত্র ০.২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ডিসেম্বরে এই বৃদ্ধির হার ছিল ০.৮ শতাংশ, অর্থাৎ মূল্যস্ফীতির গতি আরও কমেছে।
  • উৎপাদনকারী মূল্য সূচক (PPI): কারখানা পর্যায়ে পণ্যের দাম বা উৎপাদন খরচ কমেছে ১.৪ শতাংশ। যদিও গত ডিসেম্বরের তুলনায় (১.৯ শতাংশ হ্রাস) এই পতনের মাত্রা কিছুটা কম।
  • কোর ইনফ্লেশন: খাদ্য ও জ্বালানির দাম বাদ দিয়ে কোর ইনফ্লেশন বা মূল মূল্যস্ফীতি ছিল ০.৮ শতাংশ।

খাতভিত্তিক মূল্য পরিবর্তন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জানুয়ারি মাসে খাদ্যপণ্যের দাম ০.৭ শতাংশ এবং জ্বালানির দাম প্রায় ৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। মূলত এই দুই খাতের দরপতনই সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে নিচের দিকে টেনে ধরেছে। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের মার্চ মাস থেকে চীনে ভোক্তা মূল্য সূচক ধারাবাহিকভাবে ১ শতাংশের নিচেই অবস্থান করছে।

লক্ষ্যমাত্রা সংশোধন ও চ্যালেঞ্জ

টানা কয়েক বছর ধরে চলতে থাকা এই স্থবিরতার কারণে চীন সরকার তাদের বার্ষিক মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে এনেছে। সাধারণত এই লক্ষ্যমাত্রা ৩ শতাংশ নির্ধারণ করা থাকলেও, মুদ্রাসংকোচনের ঝুঁকি বিবেচনায় এ বছর তা কমিয়ে ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার অভাব এবং আবাসন খাতের মন্দাই চীনের এই দীর্ঘমেয়াদী স্বল্প মূল্যস্ফীতির প্রধান কারণ। ২০২৫ সালে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি প্রায় শূন্যের কোঠায় ছিল এবং ২০২৬ সালের শুরুতেও সেই একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।