শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি

জিয়াউর রহমানের পাশেই দাফন করা হবে বেগম খালেদা জিয়াকে, জানাজা ও দাফনস্থলে সাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হবে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে এই দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে যে, রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা ও নিরাপত্তার স্বার্থে দাফন এবং সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে সাধারণ জনগণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দাফনস্থলে শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরাই উপস্থিত থাকতে পারবেন।

জানাজা ও দাফনের সময়সূচি:

  • জানাজা: বুধবার দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা সংলগ্ন মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
  • দাফন: জানাজা শেষে দুপুর সাড়ে ৩টায় চন্দ্রিমা উদ্যানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হবে।

নিরাপত্তা নির্দেশনা:

নিরাপত্তার স্বার্থে জানাজা ও দাফনস্থলে আগত আমন্ত্রিত ব্যক্তিদের কোনো ধরনের ব্যাগ বা ভারী সামগ্রী বহন না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।

উল্লেখ্য, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। এছাড়া বুধবার থেকে শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে ২ জানুয়ারি ২০২৬) পর্যন্ত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হবে। এই সময়ে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে এবং বিদেশে বাংলাদেশের সকল দূতাবাসে শোক বই খোলা হবে।