বৃহস্পতিবার ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি

৬ চিনিকল চালুর দাবিতে ৩১ মার্চ শিল্প মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বন্ধ হয়ে যাওয়া রাষ্ট্রায়ত্ত ৬টি চিনিকল অবিলম্বে পুনরায় চালুর দাবিতে আগামী ৩১ মার্চ ‘শিল্প মন্ত্রণালয় ঘেরাও’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটি।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঘেরাও কর্মসূচি সফল করতে আগামী ২৬ মার্চ পর্যন্ত দেশের সকল বন্ধ ও চালু চিনিকলে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগ্রাম কমিটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক নূর রহমান পলাশ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ।

প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন চায় সংগ্রাম কমিটি সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের নভেম্বরে প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে জাতীয় গণফ্রন্ট ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের নেতাদের বৈঠকে বন্ধ ৬টি চিনিকল আধুনিকায়ন করে পুনরায় চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরবর্তীতে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে মিলগুলো চালুর ঘোষণাও দেওয়া হয়। তবে সংগ্রাম কমিটির অভিযোগ, অর্থ মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় বরাদ্দ না দিয়ে উল্টো আখ মাড়াই কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশনা দিয়েছে।

সরকারের প্রতি আল্টিমেটাম ও ৩ দফা দাবি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আল্টিমেটাম দিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনটি প্রধান দাবি তুলে ধরা হয়: ১. অবিলম্বে চালু: স্থানীয় অর্থনীতি রক্ষায় বন্ধ ৬টি চিনিকল দ্রুত সচল করা। ২. দুর্নীতি রোধ: চিনি শিল্পে বিদ্যমান পদ্ধতিগত দুর্নীতি বন্ধ করা। ৩. আধুনিকায়ন: দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে পুরনো যন্ত্রপাতির আধুনিকায়ন।

শ্রমিক নেতাদের হুঁশিয়ারি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কৃষক খেতমজুর সমিতির সভাপতি ও জাতীয় গণফ্রন্টের সমন্বয়ক টিপু বিশ্বাস, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন (টাফ)-এর সভাপতি ফয়জুল হাকিম এবং বিভিন্ন চিনিকলের সিবিএ নেতারা। বক্তারা বলেন, হাজার হাজার কৃষক ও শ্রমিকের জীবিকা এই মিলগুলোর ওপর নির্ভরশীল। আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেওয়া না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।