রবিবার ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় জোর দিতে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু ১৭ অক্টোবর নতুন সংসদ সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইউএনডিপি আজারবাইজানে সিইসিএ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা

ঢাকা, ১৮ অক্টোবর (বিডি ইকোনমি): বাংলাদেশ ব্যাংকের নেওয়া বিভিন্ন প্রণোদনা ও পুনঃঅর্থায়ন স্কিমের আওতায় ১৫ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত মোট ১৪,৫১৯.৭৯ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। ৬০ হাজার কোটি টাকার মোট প্রাক্কলিত তহবিলের বিপরীতে এই অর্থ ছাড় করা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৫টি বিশেষায়িত প্রণোদনা প্যাকেজের অগ্রগতিসংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিতরণের পাশাপাশি বর্তমানে আরও ২,৫৫৯.৯৭ কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে বিভিন্ন খাতে অর্থ বিতরণের চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:

  • প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট পুনঃঅর্থায়ন স্কিম: ৫ হাজার কোটি টাকার এই তহবিলের বিপরীতে ৬,৯১৭ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে (যা ঘূর্ণায়মান বা বর্ধিত ব্যবহারের সক্ষমতা নির্দেশ করে)। এটি সবচেয়ে বেশি বিতরণকৃত খাত।
  • কুটির ও মাইক্রো উদ্যোক্তা বিশেষ স্কিম: ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে ২,৫০০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
  • সৃজনশীল অর্থনীতি (ক্রিয়েটিভ ইকোনমি) স্কিম: ২০ হাজার কোটি টাকার বিশাল বরাদ্দের বিপরীতে ১,৪৯০.৪৩ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে এবং আরও ৫০০ কোটি টাকা বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
  • সিএমএসএমই চলতি মূলধন পুনঃঅর্থায়ন তহবিল: ৫ হাজার কোটি টাকার এই তহবিল থেকে ৯০৭.৭৩ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
  • কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান স্কিম: ১০ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দের মধ্যে ২৯২.৯০ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে।
  • বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি স্কিম: ১ হাজার কোটি টাকার পুরো বরাদ্দই বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
  • গ্রিন ফ্যাক্টরি বিল্ডিং ও গ্রিন ইন্ডাস্ট্রিজ স্কিম: ১ হাজার কোটি টাকার তহবিলের বিপরীতে ৫২৭.৪৭ কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
  • রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং হিমায়িত চিংড়ি ও মাছ রপ্তানি স্কিম: যথাক্রমে ৩ হাজার কোটি ও ২ হাজার কোটি টাকার তহবিল থাকলেও এই খাতগুলোতে বর্তমানে বিতরণ শূন্য রয়েছে।
  • অন্যান্য উদ্যোগ: বৈদেশিক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ২০০ কোটি টাকা, উত্তরবঙ্গের কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাতকরণে ৪৮.৬৭ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। এ ছাড়া স্টার্ট-আপ খাতে বিতরণ ও প্রক্রিয়াকরণ মিলিয়ে ৩৭.৫৯ কোটি টাকা এবং চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা রপ্তানি খাতে ৯৮ কোটি টাকা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সার্বিকভাবে, এই বহুমুখী প্রণোদনা প্যাকেজগুলো শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড জোরদার করা, সিএমএসএমই খাতকে সহায়তা প্রদান এবং রপ্তানিমুখী প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।