মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

শীর্ষস্থানীয় পোশাক ব্র্যান্ড স্ট্যানলি ও বিজিএমইএ এর মধ্যে বৈঠক, পোশাক শিল্পে টেকসই উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা

ঢাকা: বাংলাদেশের পোশাক শিল্পকে আরও টেকসই ও পরিবেশবান্ধব করতে শক্তিশালী অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এবং বেলজিয়ামের শীর্ষস্থানীয় পোশাক ব্র্যান্ড, স্ট্যানলি/স্টেলার মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের সভাপতিত্বে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ সেপ্টেম্বর উত্তরাস্থ বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিজিএমইএ এর পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলাও উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে পোশাক খাতে সামাজিক ও পরিবেশগত সাসটেইনেবিলিটি বিষয়ে ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক চাপ এবং এ সংক্রান্ত ইউরোপিয় ইউনিয়নের আসন্ন নির্দেশনাগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই একমত হন যে, এই পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প একটি ইতিবাচক ‘সবুজ রূপান্তর’-এর মধ্য দিয়ে নিজেদের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।আলোচনার অন্যতম বিষয় ছিলো নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার ঘটানো। সভায় নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়াতে বাংলাদেশের চলমান অগ্রগতি, বিশেষ করে মার্চেন্ট পাওয়ার পারচেজ এগ্রিমেন্টের মতো নতুন নীতিগুলোর প্রশংসা করা হয়। সীমিত জায়গা সত্ত্বেও কিভাবে আরও বেশি নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়।স্ট্যানলি/স্টেলা কার্বন নিঃসরণ হ্রাস বিষয়ে তাদের ২০৩০ সালের মধ্যে ‘স্কোপ ৩’ নিঃসরণ ৩০% কমানোর লক্ষ্য তুলে ধরে। এই লক্ষ্য পূরণে বাংলাদেশের সরবরাহকারী কারখানাগুলোর সঙ্গে নিবিড় সহযোগিতার ওপর জোর দেয়া হয়। বিশেষ করে সরবরাহকারী কারখানাগুলো কর্তৃক আরও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি গ্রহণ, পুনর্ব্যবহারযোগ্য উপকরণ ব্যবহারের উপর গুরুত্বারোপ করা হয়।বৈঠকে পোশাক শিল্পের ‘সবুজ রূপান্তর’ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে (এসএমই)) কিভাবে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে আর্থিক সহায়তা দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়। উভয় পক্ষই এই ধরনের অর্থায়নের সম্ভাব্য উৎসগুলো চিহ্নিত করার ওপর জোর দেন।এছাড়াও পোশাক খাতের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত আচরণবিধি (কোড অব কন্ডাক্ট) প্রণয়নের বিষয়েও আলোচনা হয়। এই অভিন্ন নীতিমালা শিল্পে সব কারখানার জন্য একটি নির্দিষ্ট মানদণ্ড তৈরি করবে, যা বৈশ্বিক ক্রেতাদের আস্থা অর্জনে সাহায্য করবে।বিজিএমইএ এবং স্ট্যানলি/স্টেলা উভয়েই টেকসই ও পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্প গড়তে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।