সোমবার ২০ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
দেশে গ্যাসের মজুদ ৭.৬৩ টিসিএফ, চলবে ১২ বছর: জ্বালানি মন্ত্রী সার্ক পুনরুজ্জীবন, আঞ্চলিক শান্তি ও বৈশ্বিক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর হামের টিকা পেয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার শিশু  এপ্রিলে প্রথম ১৮ দিনেই আসলো ১.৯৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স<gwmw style="display:none;"></gwmw> এস আলমের গ্রেপ্তার ও পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের দাবি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক পরিষদের ঢাকায় অ্যামচ্যাম-এর ২৯তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তি জ্বালানি নিরাপত্তার সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করছে: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানিতে বাংলাদেশকে ৬০ দিনের মওকুফ দিল যুক্তরাষ্ট্র সুশাসনের অভাবে ধুঁকছে ব্যাংকিং খাত: ১৭ ব্যাংক লোকসানে, ১১ ব্যাংকের সিএসআর শূন্য

কাঁচা পাট রপ্তানিকারকদের ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :  দেশের রপ্তানি খাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাঁচা পাট রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারল্য সংকটে থাকা ব্যবসায়ীদের খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিতে এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, রপ্তানিকারকরা এখন ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই পুনঃতফসিলীকরণের আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রেক্ষাপট ও সময়সীমা

এর আগে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভিত্তিক বকেয়া ঋণের ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট বা এককালীন জমা দিয়ে আবেদনের সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে বিশ্ববাজার ও অভ্যন্তরীণ বাজারের বিভিন্ন জটিলতার কারণে অনেক উদ্যোক্তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করতে ব্যর্থ হন। কাঁচা পাট খাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সময়সীমা আরও ছয় মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নীতিমালার মূল বিষয়সমূহ:

  • আবেদনের যোগ্যতা: গ্রাহক তার মোট খেলাপি (শ্রেণীকৃত) ঋণের স্থিতির ২ শতাংশ টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিয়ে এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • কার্যকারিতা: সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং “জনস্বার্থে” এই হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এর ফলে যেসব ব্যবসায়ী সময়মতো আবেদন করতে পারেননি, তারা এখন ঋণ নিয়মিত করার মাধ্যমে পুনরায় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাবেন।