রবিবার ১৬ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
ইউরোপীয় বাজারে মন্দা: চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইইউতে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি কমেছে ১৬.৪৩% জুলাই-আগস্টের গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল ১২ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় পোশাক খাত ব্যাংক খাতের সংস্কারে অব্যাহত সহায়তার আশ্বাস এডিবি প্রতিনিধিদলের; গভর্নরের সাথে বৈঠক বন্ধ ও লোকসানি সরকারি কারখানা চালুতে ১৪টি বড় প্রতিষ্ঠানের ৮৬টি বিনিয়োগ প্রস্তাব বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের সাথে ভিসা প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. আকতার হোসেনের চুক্তি বাতিল রপ্তানি বহুমুখীকরণে বিশ্বমানের হালাল ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর অভিবাসন ব্যবস্থাপনায় সমতা ও অধিকার নিশ্চিতের তাগিদ: বিল্‌স-এর কর্মশালায় ‘জাতীয় কর্মপরিকল্পনা ২০২৬’ চূড়ান্তকরণ জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কমে ৮.৩২ শতাংশে: খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে বড় স্বস্তি

কাঁচা পাট রপ্তানিকারকদের ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :  দেশের রপ্তানি খাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে কাঁচা পাট রপ্তানিকারকদের জন্য ঋণ পুনঃতফসিলীকরণের আবেদনের সময়সীমা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারল্য সংকটে থাকা ব্যবসায়ীদের খেলাপি ঋণ নিয়মিত করার সুযোগ দিতে এই বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক সার্কুলারে জানানো হয়েছে, রপ্তানিকারকরা এখন ২০২৬ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত এই পুনঃতফসিলীকরণের আবেদন করতে পারবেন।

আবেদনের প্রেক্ষাপট ও সময়সীমা

এর আগে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর ভিত্তিক বকেয়া ঋণের ২ শতাংশ ডাউনপেমেন্ট বা এককালীন জমা দিয়ে আবেদনের সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে বিশ্ববাজার ও অভ্যন্তরীণ বাজারের বিভিন্ন জটিলতার কারণে অনেক উদ্যোক্তা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবেদন করতে ব্যর্থ হন। কাঁচা পাট খাতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই সময়সীমা আরও ছয় মাস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

নীতিমালার মূল বিষয়সমূহ:

  • আবেদনের যোগ্যতা: গ্রাহক তার মোট খেলাপি (শ্রেণীকৃত) ঋণের স্থিতির ২ শতাংশ টাকা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দিয়ে এই সুবিধার জন্য আবেদন করতে পারবেন।
  • কার্যকারিতা: সব বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং “জনস্বার্থে” এই হস্তক্ষেপ করা হয়েছে। এর ফলে যেসব ব্যবসায়ী সময়মতো আবেদন করতে পারেননি, তারা এখন ঋণ নিয়মিত করার মাধ্যমে পুনরায় ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পাবেন।