ঢাকা, ১১ আগস্ট (বিডিইকোনমি)- ফার্মেসি, বায়োটেকনোলজি ও মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের শিক্ষার্থী ও গ্র্যাজুয়েটদের সঙ্গে ফার্মাসিউটিক্যালস এবং লাইফ সায়েন্স খাতের সংযোগ ঘটিয়ে দিতে ‘ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ফার্মেসি অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস ক্যারিয়ার ফেয়ার ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) মেরুল বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ফার্মাসিউটিক্যাল ও লাইফ সায়েন্সেস খাতের প্রায় ২৫টি শীর্ষস্থানীয় নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে।
ক্যারিয়ার মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোশ বাংলাদেশ লিমিটেডের কান্ট্রি ম্যানেজার মিলোস ম্লাদেনোভিচ। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “পদের চেয়ে নিজের কাজের প্রভাব ও অর্জনকে বেশি গুরুত্ব দিন। নিজের পদবীর চেয়ে কাজের নির্দিষ্ট লক্ষ্যের গুরুত্ব অনেক বেশি। আপনার প্রথম চাকরি আগামী ৩০ বছরের ক্যারিয়ার নির্ধারণ করে দেবে না, তাই ঝুঁকি নিন এবং চ্যালেঞ্জিং কাজ বেছে নিন। ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি একটি চমৎকার ভিত্তি তৈরি করে দিয়েছে, এখন এর ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব আপনার।”
অনুষ্ঠানে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার বলেন, “গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) থেকে শুরু করে ব্র্যান্ড তৈরি ও বাণিজ্যিক সেবা প্রদান—সবক্ষেত্রেই লাইফ সায়েন্সেস খাতের পরিধি বিশাল। এই খাতকে ভালোভাবে বুঝতে হলে প্রতিটি সংযোগস্থল অনুধাবন করতে হবে, তবেই আপনি নিজের লক্ষ্য নির্ধারণ করে লাইফ সায়েন্স খাতে অবদান রাখতে পারবেন।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড জানান, শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা প্রদান এবং শিল্প খাতের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করতে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি কৌশলগত বিনিয়োগ করে যাচ্ছে, যাতে তারা নিয়োগ প্রক্রিয়ায় শতভাগ প্রস্তুত থাকতে পারে। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট লাইফের হেড ও অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর তাহসিনা রহমান।
উদ্বোধনী পর্ব শেষে “বিয়ন্ড বাউন্ডারিজ: আনলক ইউর ফিউচার উইথ রোশ বাংলাদেশ লিমিটেড” শীর্ষক একটি বিশেষ সেশন উপস্থাপন করেন রোশ বাংলাদেশের পাবলিক অ্যাফেয়ার্স লিড মো. ইরতেজা মাহবুব আখন্দ। এছাড়া রেনাটা পিএলসি-এর চিফ পিপল অফিসার নিসবাত আনোয়ার “বিল্ডিং ইউর ফিউচার ইন ফার্মেসি অ্যান্ড লাইফ সায়েন্সেস” শীর্ষক সেশন পরিচালনা করেন।
দিনব্যাপী এই মেলায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পাশাপাশি জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়া ও তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারের সুযোগ পান।