শুক্রবার ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি

অধ্যাপক ড. এম. শমশের আলী’র স্মরণসভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে অধ্যাপক ড. এম. শমশের আলী’র স্মরণ সভা অনুষ্ঠান আজ ২৭ আগস্ট ২০২৫ বুধবার আর সি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী নূরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (বিআইআইটি) এর মহাপরিচালক  ড. এম আবদুল আজিজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম তালুকদার, দর্শন বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহ্ কাওসার মুস্তাফা আবুলউলায়ী, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মিল্টন কুমার দেব, বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম ও অধ্যাপক মো. ইলিয়াস, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের রাবিয়া নাজরীন, মরহুমের নাতনি ফারিয়া প্রমুখ আলোচনায় অংশ নেন ।

স্মরণ সভায় বক্তারা মরহুম অধ্যাপক ড. এম. শমসের আলী’র বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। দেশ বরেণ্য এই পদার্থ বিজ্ঞানী ও ইসলামী পণ্ডিত মৃত্যুর আগ মুহুর্ত পর্যন্ত বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বিভাগের অনারারী অধ্যাপক হিসাবে তিনি এম. এ ২য় সেমিস্টারের “বিজ্ঞান ও ধর্ম” কোর্সটি পাঠদান করছিলেন। তাঁর  অনুপ্রেরণা ও উৎসাহে অধ্যাপক ড. কাজী নূরুল ইসলাম ১৯৯৯ সালে বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করেন।

আলোচনা সভার শেষে রূহের মাগফেরাত কামনা করে মুনাজাত করা হয়।