শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তার মেয়াদ বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক পরিবহন খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় একীভূত নীতিমালা জারি করল বাংলাদেশ ব্যাংক ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে দোকানপাট: দোকান মালিক সমিতি পোশাক খাতে কার্বন নিঃসরণ কমাতে বিজিএমইএ ও আইভি ডিকার্ব-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর তেল-গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর তোড়জোড়: নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় সাধারণ মানুষের সৌদি তেলের জাহাজ বন্দরে: পূর্ণ উৎপাদনে ফিরছে ইস্টার্ন রিফাইনারি বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে ভুক্তভোগী আমানতকারীদের মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন প্রতিবাদ মূল শিরোনাম: দেশে ফের বাড়ল মূল্যস্ফীতি, এপ্রিলে দাঁড়িয়েছে ৯.০৪ শতাংশে

৮৮ হাজার করদাতার রিটার্ন যাচাই–বাছাই করবে এনবিআর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা — আয়কর রিটার্নে তথ্যের সঠিকতা যাচাই ও রাজস্ব আদায় বাড়াতে প্রায় ৮৮ হাজার করদাতার রিটার্ন নথি নিরীক্ষার (অডিট) জন্য নির্বাচন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বা অটোমেটেড পদ্ধতিতে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) এনবিআর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

দুই দফায় নির্বাচন

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ করবর্ষের জমা দেওয়া রিটার্নগুলো থেকে দুই দফায় এই নিরীক্ষা কার্যক্রম চালানো হবে:

  • প্রথম দফা: গত জুলাই মাসে ১৫ হাজার ৪৯৪ জন করদাতার নথি নির্বাচন করা হয়।
  • দ্বিতীয় দফা: সম্প্রতি আরও ৭২ হাজার ৩৪১ জন করদাতার রিটার্ন নিরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয়েছে।

সর্বমোট ৮৭ হাজার ৮৩৫ জন করদাতার ফাইল এখন নিবিড় পর্যালোচনার মুখে পড়ছে। বর্তমানে দেশে ১ কোটি ২০ লাখের বেশি কর শনাক্তকরণ নম্বরধারী (টিআইএন) থাকলেও এ বছর রিটার্ন জমা দিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৪২ লাখ করদাতা।

স্বচ্ছতা ও স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি

এনবিআর জানিয়েছে, এবারের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কোনো সনাতনী পদ্ধতি বা মানুষের হস্তক্ষেপ ছিল না। কয়েকটি সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য (Parameters) অনুসরণ করে প্রতিটি সার্কেলের জন্য সর্বোচ্চ ২০০ এবং সর্বনিম্ন ২০ জন করদাতাকে সফটওয়্যারের মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়েছে।

এনবিআরের দাবি, এই অটোমেটেড পদ্ধতির ফলে করদাতা ও সুশীল সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি অনুযায়ী স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত হয়েছে। এর মাধ্যমে কোনো করদাতা ভুল তথ্য দিয়েছেন কি না বা যথাযথ কর পরিশোধ করেছেন কি না, তা নিখুঁতভাবে যাচাই করা সম্ভব হবে।

তালিকা প্রকাশ

নিরীক্ষার জন্য নির্বাচিত করদাতাদের টিআইএন (TIN) তালিকা ইতিমধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এনবিআর মনে করছে, এই প্রক্রিয়ার ফলে একদিকে যেমন কর ফাঁকি রোধ করা যাবে, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনও সহজতর হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এনবিআরের এই কঠোর অবস্থান সাধারণ করদাতাদের সঠিক তথ্য প্রদানে উৎসাহিত করবে এবং ডিজিটাল রাজস্ব প্রশাসন বিনির্মাণে এটি একটি বড় পদক্ষেপ।