মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ জনবল সংকটে ধুঁকছে ১৫৩ কোটি টাকায় আধুনিকায়ন করা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা ভোটের গাড়ির ‘জনমত বাক্সে’ প্রধান উপদেষ্টাকে ৪০ হাজারের বেশি মানুষের মনের কথা বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্যারিফ চুক্তি: বিজিএমইএ-র প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ও অভিনন্দন স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক এখন থেকে ‘স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক’ আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং লেনদেনের সময়সূচী নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্বাচন উপলক্ষে ব্যাংক ও শেয়ারবাজার ৪ দিন বন্ধ বিশ্বমন্দা ও অভ্যন্তরীণ সংকটে হোঁচট খাচ্ছে বাংলাদেশের রপ্তানি খাত, আশার আলো দেখাচ্ছে জানুয়ারি বিটকয়েনের বড় ধস: এক সপ্তাহে ২৫% মূল্য হ্রাস, নেমেছে ৬৩ হাজার ডলারের নিচে

হাড়কাঁপানো শীতে নাকাল জনপদ: ঢাকার তাপমাত্রা নামল ১৫ ডিগ্রিতে, বিপর্যস্ত সারাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : পৌষের শেষে এসে তীব্র শীত আর কনকনে হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে রাজধানী ঢাকাসহ সমগ্র বাংলাদেশ। বিশেষ করে ঢাকা মহানগরীতে এক দিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমে যাওয়ায় এবং দিনভর সূর্যের দেখা না মেলায় স্থবির হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন।

ঢাকায় দিন-রাতের পার্থক্য ১.৭ ডিগ্রি আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, আজ সোমবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা গতকাল ছিল ১৭.৬ ডিগ্রি। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ২ ডিগ্রির বেশি। অন্যদিকে আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৮ ডিগ্রি। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার এই ক্ষুদ্র ব্যবধানই (মাত্র ১.৭ ডিগ্রি) ঢাকাবাসীকে তীব্র শীতের অনুভূতি দিচ্ছে। দিনভর কুয়াশাচ্ছন্ন আকাশ আর হিমেল বাতাসে ঘরের ভেতরেও হাড়কাঁপানো ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।

সারা দেশের শীত পরিস্থিতি ঢাকার বাইরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শীতের প্রকোপ আরও ভয়াবহ। পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম ও মেহেরপুরের মতো জেলাগুলোতে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকায় দেশের অধিকাংশ এলাকায় দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। নদী অববাহিকা ও গ্রামাঞ্চলে দৃষ্টিসীমা কমে আসায় ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

কৃষি ও জনজীবনে প্রভাব তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন শ্রমজীবী ও ছিন্নমূল মানুষ। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করতে দেখা গেছে অনেক জায়গায়। রাজধানীর বাজারগুলোতেও ক্রেতা সমাগম ছিল অন্য দিনের তুলনায় কম। অন্যদিকে, দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশা ও সূর্যের অনুপস্থিতিতে বোরো বীজতলা ও রবি শস্যের (যেমন: আলু ও সরিষা) ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

আবহাওয়ার পূর্বাভাস আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশা কেটে না যাওয়া পর্যন্ত দিনের তাপমাত্রা বাড়ার সম্ভাবনা কম। উত্তর দিক থেকে আসা ঠান্ডা বাতাসের কারণে অনুভূত তাপমাত্রা প্রকৃত তাপমাত্রার চেয়েও কম হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।