সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি অর্জনে বিনিয়োগে জোর সরকারের: শামা ওবায়েদ এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে সরবরাহ তলানিতে: গভীর হচ্ছে গ্যাস সংকট, বাসাবাড়িতে হাহাকার অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে কোটিপতি হিসাব বেড়েছে ৭ হাজার: বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিভাগীয় মামলা ২ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সুইসটেল’ হোটেল হচ্ছে না, ৮০০ কোটি টাকায় ভবনটি কিনছে পূবালী ব্যাংক ইডিএফ ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে ২৭০ দিন করার সুযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মাস্টার সার্কুলার জারি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ‘বাংলা কিউআর’ বাস্তবায়নে সহযোগিতার আহ্বান বিডার নতুন কৌশলে সুফল: ১.৫ বিলিয়ন ডলারের পাইপলাইন থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার এফডিআই বাস্তবায়নে জুলাইয়ের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসী আয় ২৩.৫% বেড়ে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার

লাইসেন্স পেল ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে হস্তান্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশের ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের অংশ হিসেবে গঠিত নতুন ব্যাংক ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’-এর লাইসেন্স আনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি)।

সোমবার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই লাইসেন্স হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, গত রবিবার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় নতুন ব্যাংকটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের (এফআইডি) সচিব নাজমা মোবারকের পক্ষে লাইসেন্সের নথি গ্রহণ করেন এফআইডি-এর যুগ্ম সচিব মো. আজিজউদ্দিন বিশ্বাস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এফআইডি-এর উপসচিব শেখ ফরিদ উদ্দিন

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর, ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক এবং ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের প্রধান মো. বদিউল আলম, এবং ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের পরিচালক বায়েজিদ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রতিনিধিদের কাছে লাইসেন্সটি তুলে দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ গঠন করা হয়েছে ব্যাংকিং খাতের বৃহত্তর সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে। মূলত সমস্যাগ্রস্ত একাধিক শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংককে একীভূত করে খাতটিকে স্থিতিশীল ও শক্তিশালী করাই এই নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য।