রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
ইমরান খানের ডান চোখ প্রায় অন্ধ: সর্বোচ্চ চিকিৎসার দাবি জানালেন ওয়াসিম আকরাম এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় গণতন্ত্রের : তারেক রহমান একই গ্রাম থেকে ৩ জন সংসদ সদস্য: চট্টগ্রামের গহিরায় বইছে আনন্দের বন্যা বঙ্গভবনে নতুন সরকারের শপথ: থাকছেন ১ হাজার অতিথি সুন্দরবন রক্ষায় ‘সুন্দরবন সামিট ২০২৬’-এর ঘোষণা, আয়োজন ২৩-২৫ এপ্রিল ১৩তম জাতীয় নির্বাচন: ৪২টি দলের ভরাডুবি, সংসদে প্রতিনিধিত্ব মাত্র ৯ দলের তারেক রহমানকে নরেন্দ্র মোদীর ফোন: নির্বাচনে জয়ে অভিনন্দন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতি ধানের শীষ না পেয়েও বাজিমাত: স্বতন্ত্র হিসেবে জয়ী বিএনপির ৭ ‘বিদ্রোহী’ নেতা জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জনগণের রায়: ৬০.২৬ শতাংশ ‘হ্যাঁ’ ভোটে সংস্কার প্রস্তাব পাস

রমজান সামনে রেখে ১০ পণ্য আমদানিতে বিশেষ সুবিধা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা: পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ১০টি অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যপণ্য আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নির্দেশনার বিস্তারিত

বিশেষ সুবিধার আওতাভুক্ত ১০টি পণ্য:

এই বিশেষ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে নিম্নোক্ত ১০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য:

১. চাল

২. গম

৩. পেঁয়াজ

৪. ডাল

৫. ভোজ্য তেল

৬. চিনি

৭. ছোলা (চানা)

৮. মটর

৯. মসলা

১০. খেজুর

মার্জিন সংক্রান্ত নির্দেশিকা:

বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে, উল্লিখিত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকার–গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে হবে।

কার্যকারিতা ও সময়সীমা:

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ কর্তৃক বুধবার জারি করা এই নির্দেশনাটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এবং ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

পটভূমি ও অগ্রাধিকার:

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, রমজানের সময় এসব পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এই কারণে আমদানি সহজীকরণের মাধ্যমে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা ও মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আমদানি ঋণপত্র স্থাপনে অগ্রাধিকার দিতেও বলা হয়েছে।

আগের নীতি শিথিল:

পূর্বে রমজান মৌসুমে কিছু ভোগ্যপণ্য আমদানিতে ব্যাংকগুলোকে এলসি খোলার জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই হার শিথিল করে ব্যাংকার–গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার সুযোগ দেওয়া হয়, যা সর্বশেষ গত বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।