বুধবার ৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে মূল ভিত্তি ‘বিশ্বাস’: তানভীর শাহরিয়ার গনি পরিকল্পিত নগরায়ণে জেলা ও সিটি করপোরেশনে নতুন মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তীব্র সংকটের মাঝেই বাড়ল এলপিজির দাম, খুচরা বাজারে অস্থিরতা জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার: রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি

রমজান সামনে রেখে ১০ পণ্য আমদানিতে বিশেষ সুবিধা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা: পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ১০টি অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যপণ্য আমদানির ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে নগদ মার্জিনের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নির্দেশনার বিস্তারিত

বিশেষ সুবিধার আওতাভুক্ত ১০টি পণ্য:

এই বিশেষ সুবিধার আওতায় আনা হয়েছে নিম্নোক্ত ১০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য:

১. চাল

২. গম

৩. পেঁয়াজ

৪. ডাল

৫. ভোজ্য তেল

৬. চিনি

৭. ছোলা (চানা)

৮. মটর

৯. মসলা

১০. খেজুর

মার্জিন সংক্রান্ত নির্দেশিকা:

বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে যে, উল্লিখিত পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ব্যাংকার–গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় নগদ মার্জিন সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখতে হবে।

কার্যকারিতা ও সময়সীমা:

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ কর্তৃক বুধবার জারি করা এই নির্দেশনাটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এবং ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।

পটভূমি ও অগ্রাধিকার:

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, রমজানের সময় এসব পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। এই কারণে আমদানি সহজীকরণের মাধ্যমে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ বজায় রাখা ও মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে অভ্যন্তরীণ বাজারে এসব পণ্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট আমদানি ঋণপত্র স্থাপনে অগ্রাধিকার দিতেও বলা হয়েছে।

আগের নীতি শিথিল:

পূর্বে রমজান মৌসুমে কিছু ভোগ্যপণ্য আমদানিতে ব্যাংকগুলোকে এলসি খোলার জন্য ১০০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ মার্জিন সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। পরে সেই হার শিথিল করে ব্যাংকার–গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার সুযোগ দেওয়া হয়, যা সর্বশেষ গত বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর ছিল।