শুক্রবার ২৬ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক: ক্যাশলেস অর্থনীতির লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ<gwmw style="display:none;"></gwmw> জ্বালানি খাতের বরাদ্দ বৈষম্য দূর ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ সানেমের<gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রণালয়গুলোতে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড বসানো হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বিটকয়েনের বড় ধস: এক সপ্তাহে ২৫% মূল্য হ্রাস, নেমেছে ৬৩ হাজার ডলারের নিচে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্ববাজারে সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের মূল্যে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত সাত দিনে ডিজিটাল এই মুদ্রার মান প্রায় ২৫.১ শতাংশ কমেছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টাতেই বিটকয়েনের দরপতন হয়েছে ১২.৭ শতাংশ।

কয়েনমার্কেটক্যাপ-এর তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ লেনদেনে বিটকয়েনের মূল্য ৬৩,০৭০ ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে।

ট্রাম্প পরবর্তী সব মুনাফা বিলীন বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর মার্কিন নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর বিটকয়েন যে অভাবনীয় গতিতে বেড়েছিল, সাম্প্রতিক ধসে তার পুরো মুনাফাই এখন ধুলোয় মিশে গেছে। ট্রাম্পের জয়ের পর ক্রিপ্টো-বান্ধব নীতির আশায় বিটকয়েন ৬৮,০০০ ডলার থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে ওই বছরের ডিসেম্বরেই ১ লাখ ডলার ছাড়িয়েছিল। এমনকি ২০২৫ সালের অক্টোবরে এটি ১,২৬,২০০ ডলারের সর্বকালীন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

ইথেরিয়াম ও অন্যান্য মুদ্রার অবস্থা শুধু বিটকয়েন নয়, ধস নেমেছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথেরিয়ামেও (Ethereum)। গত ২৪ ঘণ্টায় ইথেরিয়ামের দাম ১২.৯ শতাংশ কমে ১,৮৫০ ডলারে নেমেছে। গত এক সপ্তাহে এই অল্টকয়েনটি তার মূল্যের প্রায় ৩৪.৫ শতাংশ হারিয়েছে।

ধসের মূল কারণসমূহ:

  • প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ প্রত্যাহার: বিটকয়েন ইটিএফ (ETF) থেকে বড় অংকের বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা।
  • ফেড চেয়ার নিয়ে উদ্বেগ: মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী চেয়ার হিসেবে কেভিন ওয়ার্শের নাম প্রস্তাব করায় বাজারে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
  • যান্ত্রিক ত্রুটি: দক্ষিণ কোরিয়ার বড় এক্সচেঞ্জ বিথাম্ব-এ একটি যান্ত্রিক ভুলের কারণে বিপুল পরিমাণ বিটকয়েন বিক্রির চাপ তৈরি হয়, যা বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমানে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজার একটি ‘বিয়ার মার্কেট’ বা দীর্ঘমেয়াদী মন্দার দিকে ধাবিত হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা এখন ডিজিটাল সম্পদের পরিবর্তে সোনা বা নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।