বৃহস্পতিবার ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫
সর্বশেষ:
আগামী নির্বাচনে ধানের শীষকে জেতাতে হবে; এর কোনো বিকল্প নেই: তারেক রহমান খালেদা জিয়ার সর্বোত্তম চিকিৎসা চলছে, প্রয়োজনে বিদেশ নেওয়া হতে পারে : ডা. জাহিদ<gwmw style="display:none;"></gwmw> একীভূত ৫ ইসলামী ব্যাংকের আমানতকারীরা শুরুতে পাবেন ২ লাখ টাকা, পরের ৩ মাসে ১ লাখ টাকা বিডার অনুমোদন ছাড়াই মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানির সুযোগ দিল বাংলাদেশ ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রাজস্ব সুরক্ষায় সমন্বিত অটোমোবাইল নীতির দাবি বারভিডার ডিসেম্বরের প্রথম ৯ দিনে ১.১৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স: প্রবাসী আয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি বিএপিএলসির সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ, সহ-সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ ঢাবিতে চার দিনব্যাপী বিআইআইটি-আইআইআইটি উইন্টার স্কুল শুরু চলতি বছরে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত জনশক্তি রপ্তানি ১০ লক্ষাধিক

বাংলাদেশ ব্যাংক রমজানের জন্য ৯০ দিনের ঋণের অধীনে ১১ টি খাদ্য সামগ্রী আমদানি সহজ করেছে

ঢাকা, নভেম্বর ১১: পবিত্র রমজানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) ১১টি প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী আমদানির বিল বিলম্বিত করার অনুমতি দিয়েছে।পণ্যগুলো হলো- চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম, ছোলা, মটর, মশলা ও খেজুর।

সোমবার (১১ নভেম্বর) বিবির বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য ব্যাংকের শীর্ষ নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, “পবিত্র রমজান মাসে যৌক্তিক পর্যায়ে মূল্য বজায় রাখা এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রীর সুষ্ঠু সরবরাহের লক্ষ্যে চাল, গম, পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি, ডিম আমদানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।, ছোলা, মটর, মশলা এবং খেজুর ব্যবহারের শর্তে সরবরাহকারী/ক্রেতার ক্রেডিট অধীনে ৯০ দিন পর্যন্ত।”

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, আমদানির ক্ষেত্রে লেনদেনের সুবিধার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এই সুবিধাটি ৩১ মার্চ, ২০২৫ পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে।

এই সিদ্ধান্ত আমদানিকারকদের এসব পণ্য আমদানিতে সহায়তা করবে। কারণ রমজানের আগে ও আগে এসব পণ্যের চাহিদা বেড়ে যায়।

এর আগে গত ৬ নভেম্বর পণ্য আমদানিতে আগের শতভাগ মার্জিন বা নিরাপত্তা মূল্য শিথিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন সেই মার্জিন নির্ধারিত হবে গ্রাহক-ব্যাংক সম্পর্কের ভিত্তিতে।

শিল্প সংশ্লিষ্টদের মতে, এলসি মার্জিন শিথিল করার কারণে আমদানিকারকদের কম নগদ প্রয়োজন হবে। এতে আমদানি ব্যয়ও কমবে।