সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ: ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ ছাড়িয়েছে ১৪,৫১৯ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা ও স্বর্ণ ব্যবসার লাইসেন্সে বাংলাদেশ ব্যাংকের সমন্বিত সার্কুলার জারি গবেষণা, প্রযুক্তি ও মূল্যবোধের সমন্বয়ে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারের আহ্বান: এইউএসটিতে আন্তর্জাতিক শিক্ষা সম্মেলন শুরু ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর হামলা ও আগ্রাসন নিয়ে উদ্বেগ, মুসলিম উম্মাহকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান দক্ষতা ও কর্মমুখী শিক্ষায় জোর দিতে ঢাকায় তিন দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু ১৭ অক্টোবর নতুন সংসদ সদস্যদের ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণে সহায়তা দিতে প্রস্তুত ইউএনডিপি আজারবাইজানে সিইসিএ সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির

বিটকয়েনের বড় ধস: এক সপ্তাহে ২৫% মূল্য হ্রাস, নেমেছে ৬৩ হাজার ডলারের নিচে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : বিশ্ববাজারে সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্রিপ্টোকারেন্সি বিটকয়েনের মূল্যে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। গত সাত দিনে ডিজিটাল এই মুদ্রার মান প্রায় ২৫.১ শতাংশ কমেছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টাতেই বিটকয়েনের দরপতন হয়েছে ১২.৭ শতাংশ।

কয়েনমার্কেটক্যাপ-এর তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ লেনদেনে বিটকয়েনের মূল্য ৬৩,০৭০ ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে।

ট্রাম্প পরবর্তী সব মুনাফা বিলীন বাজার বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর মার্কিন নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জয়ের পর বিটকয়েন যে অভাবনীয় গতিতে বেড়েছিল, সাম্প্রতিক ধসে তার পুরো মুনাফাই এখন ধুলোয় মিশে গেছে। ট্রাম্পের জয়ের পর ক্রিপ্টো-বান্ধব নীতির আশায় বিটকয়েন ৬৮,০০০ ডলার থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে ওই বছরের ডিসেম্বরেই ১ লাখ ডলার ছাড়িয়েছিল। এমনকি ২০২৫ সালের অক্টোবরে এটি ১,২৬,২০০ ডলারের সর্বকালীন রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

ইথেরিয়াম ও অন্যান্য মুদ্রার অবস্থা শুধু বিটকয়েন নয়, ধস নেমেছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি ইথেরিয়ামেও (Ethereum)। গত ২৪ ঘণ্টায় ইথেরিয়ামের দাম ১২.৯ শতাংশ কমে ১,৮৫০ ডলারে নেমেছে। গত এক সপ্তাহে এই অল্টকয়েনটি তার মূল্যের প্রায় ৩৪.৫ শতাংশ হারিয়েছে।

ধসের মূল কারণসমূহ:

  • প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ প্রত্যাহার: বিটকয়েন ইটিএফ (ETF) থেকে বড় অংকের বিনিয়োগ সরিয়ে নিচ্ছেন প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা।
  • ফেড চেয়ার নিয়ে উদ্বেগ: মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী চেয়ার হিসেবে কেভিন ওয়ার্শের নাম প্রস্তাব করায় বাজারে সুদের হার বৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যা ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
  • যান্ত্রিক ত্রুটি: দক্ষিণ কোরিয়ার বড় এক্সচেঞ্জ বিথাম্ব-এ একটি যান্ত্রিক ভুলের কারণে বিপুল পরিমাণ বিটকয়েন বিক্রির চাপ তৈরি হয়, যা বাজারে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বর্তমানে ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজার একটি ‘বিয়ার মার্কেট’ বা দীর্ঘমেয়াদী মন্দার দিকে ধাবিত হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা এখন ডিজিটাল সম্পদের পরিবর্তে সোনা বা নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে বেশি ঝুঁকছেন।