বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬
সর্বশেষ:
নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ স্লোগানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ বাংলাদেশের ডিজিটাল ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে টেলিনর সিইও-র সাক্ষাৎ জ্বালানি সাশ্রয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত: ৩ মাস সরকারি তেল নেবেন না মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম নারীদের ডিজিটাল ও আর্থিক ক্ষমতায়নে রমণীর সাথে বাংলালিংকের অংশীদারিত্ব জ্বালানি সংকটে তৈরি পোশাক উৎপাদন ২৫-৩০ শতাংশ হ্রাস; বিজিএমইএ’র জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি<gwmw style="display:none;"></gwmw> মানি মার্কেটে লেনদেন-ভিত্তিক রেফারেন্স রেট চালু করছে বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক রেজুলেশন আইন দুর্নীতির সহায়ক ও লুটেরাদের পুনর্বাসনের উদ্যোগ: টিআইবি কৃষিখাতকে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পৃক্ত করাই কৃষক কার্ডের লক্ষ্য : মাহদী আমিন<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ইসলামী ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে আলতাফ হুসাইনের দায়িত্ব গ্রহণ

বাংলাদেশের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা $৬৩.৫ বিলিয়ন নির্ধারণ

ঢাকা, আগস্ট ১২: নতুন ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাংলাদেশের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা $৬৩.৫ বিলিয়ন নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে পণ্য খাত থেকে $৫৫ বিলিয়ন এবং সেবা খাত থেকে $৮.৫০ বিলিয়ন আয়ের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

এ ঘোষণাটি আজ, ১২ আগস্ট, সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া হয়। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ব্যবসায়িক খাতের নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কারণ এই ambitious লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের পেছনে বেশ কিছু কারণ রয়েছে। সাম্প্রতিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধির গতিধারা, পণ্য ও বাজারের বৈচিত্র্যকরণ, বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতি, ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব যেমন মধ্যপ্রাচ্যের সংকট ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব, এবং বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ওপর ভিত্তি করে এই লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ।

খাতভিত্তিক রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা

তৈরি পোশাক খাত (RMG):এই খাতের জন্য মোট লক্ষ্যমাত্রা \$৪৪.৪৯ বিলিয়ন। এর মধ্যে ওভেন পোশাকের জন্য $২০.৭৯ বিলিয়ন (১৪.৩১% প্রবৃদ্ধি) এবং নিটওয়্যার-এর জন্য $২৩.৭০০ বিলিয়ন (১২.০১% প্রবৃদ্ধি) নির্ধারণ করা হয়েছে।

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য: দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাত হিসেবে এর লক্ষ্যমাত্রা $১.৮৫ বিলিয়ন ধরা হয়েছে, যা ১০.৯% প্রবৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত । বিশ্ববাজারের পরিস্থিতি এবং এই খাতের সক্ষমতা বিবেচনা করে আশা করা হচ্ছে যে এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

পাট ও পাটজাত পণ্য: এই খাতের জন্য $৯০০ মিলিয়ন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ৯.৭৩% প্রবৃদ্ধির ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। পণ্যের মান যাচাইয়ের জন্য ল্যাব টেস্টিং-এর ওপর গুরুত্বারোপ এবং বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিজেআরআই) সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

কৃষি পণ্য: কৃষি পণ্যের লক্ষ্যমাত্রা $১.২১ বিলিয়ন ধরা হয়েছে, যা ২২.৪৩% প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশায় করা হয়েছে। এই খাতের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন যে কার্গো বিমান, বিমানবন্দরে কুলিং সিস্টেম এবং ইডিএস মেশিনের মতো অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা গেলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে।

হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ: এই খাতের লক্ষ্যমাত্রা $৫৩৯ মিলিয়ন, যা ২২.০৬% প্রবৃদ্ধির ভিত্তিতে নির্ধারিত। প্রতিনিধিদের মতে, সরকারের পক্ষ থেকে ভেনামি চিংড়ির হ্যাচারির লাইসেন্স এবং কোয়ারেন্টাইন সুবিধা বাড়ানোর মতো নীতিগত সহায়তা পেলে এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব।

হোম-টেক্সটাইল: এই খাতের লক্ষ্যমাত্রা $১.০২ বিলিয়ন, যা ১৭.০৩% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করে নির্ধারণ করা হয়েছে ।

গত অর্থবছরের পারফরম্যান্স ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পণ্য খাতে \$৫০ বিলিয়ন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে $৪৮.২৮ বিলিয়ন আয় হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৭% এবং পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ৮.৫৮% বেশি। সেবা খাতে একই অর্থবছরের জুলাই থেকে এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি হয়েছে $৫.৭৭ বিলিয়ন, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.১৩% বেশি।