শুক্রবার ২৬ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ কোড ব্যবহার বাধ্যতামূলক: ক্যাশলেস অর্থনীতির লক্ষ্যে বড় পদক্ষেপ<gwmw style="display:none;"></gwmw> জ্বালানি খাতের বরাদ্দ বৈষম্য দূর ও জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর তাগিদ সানেমের<gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও মন্ত্রণালয়গুলোতে ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড বসানো হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী ব্যাংকগুলোকে জরুরি তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে প্রায় ৭৬ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি এসএমই খাত: শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও ব্যাংকিং খাতের সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক আইএমএফের নতুন ঋণের শর্ত: ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা বাতিলের দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় উদ্যোগ: প্রবাসীদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ চালু, ওএমইউ ও অফশোর ব্যাংকিংয়ে গতি আনার লক্ষ্য পাঁচটি দেউলিয়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা, মার্কিন বাজারে ২ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনা: ড. জাহিদ হোসেন

ঢাকা: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক চীন ও ভারতের ওপর আরোপিত শুল্ক নীতির কারণে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি বাড়তে পারে।

শনিবার (৩০ আগস্ট) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) এক আলোচনা সভায় বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পল্টনে ইআরএফ মিলনায়তনে “ম্যাক্রোইকোনমিক চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ” শীর্ষক আলোচনা সভাটির আয়োজন করা হয়। এটি প্রয়াত সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেনের স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠান ছিল। মোয়াজ্জেম হোসেন ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস’-এর প্রয়াত সম্পাদক এবং ইআরএফের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।

ড. জাহিদ হোসেনের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শুল্ক আলোচনার ইতিবাচক ফলাফলের পর বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে এবং রপ্তানি খাত ধীরে ধীরে প্রসারিত হবে।তিনি বলেন, যদিও সামগ্রিকভাবে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা এসেছে, কিন্তু নিম্ন আয়ের পরিবারের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে, যেখানে দারিদ্র্য ও বৈষম্য বাড়ছে।

ড. জাহিদ মনে করেন, এই অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা মূলত আগের অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের অপসারণের কারণে এসেছে।তিনি আরও বলেন, “দেশ থেকে অর্থ পাচার বন্ধ হয়েছে, যার ফলে হুন্ডি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বেড়েছে।”একইভাবে, ব্যাংক খাতে লুটপাট বন্ধ হয়েছে। তবে, খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ব্যাংকের প্রকৃত অবস্থা এখনো উন্নত হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আন্তর্জাতিক বাজারের কিছু ইতিবাচক পরিস্থিতি, বিশেষ করে মার্কিন ডলারের মূল্যের উল্লেখযোগ্য পতনকেও বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য অনুকূল বলে মনে করেন।ড. জাহিদ জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান স্থিতিশীলতায় নীতির অবদান খুব বেশি নয়। তবে, অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পরিবর্তন এসেছে এবং নীতি নির্ধারণে আরও শৃঙ্খলা আনা হয়েছে। তবুও এর অর্থ এই নয় যে সরকারের সব সিদ্ধান্ত সঠিক।