শুক্রবার ১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
রেমিট্যান্স প্রবাহে উল্লম্ফন: এপ্রিলের ২৯ দিনেই এলো ৩০০ কোটি ডলার ইসলামী ব্যাংক খাতে সুশাসন ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতের দাবি; বিতর্কিত সিদ্ধান্তে অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংকারদের উদ্বেগ<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> প্রথম প্রান্তিকে সিটি ব্যাংকের মুনাফায় ১৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি; ঋণ প্রবাহ নিয়ে এমডির উদ্বেগ সার্ক শক্তিশালী হলে দক্ষিণ এশিয়ার কৃষি আরও সমৃদ্ধ হবে: নজরুল ইসলাম খান<gwmw style="display:none;"></gwmw> বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে নীতি সংস্কারের তাগিদ ব্যবসায়ী নেতাদের<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> ব্যাংকিং খাতে সুশাসন নিশ্চিতে কঠোর বিএফআইইউ: শীর্ষ কর্মকর্তাদের নৈতিক অঙ্গীকারনামা বাধ্যতামূলক অভিজ্ঞ ব্যাংক কর্মকর্তাদের জন্য ডিপ্লোমা বাধ্যতামূলক নয়: নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের দেড় মাসে হামের উপসর্গে ২২৭ শিশুর মৃত্যু: ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৮৮ আন্তব্যাংক বাজারে ডলারের দাম ১২২.৭৫ টাকায় স্থিতিশীল

পোশাক শিল্পে টেকসই সরবরাহ চেইন নিশ্চিত করতে বিজিএমইএ-বায়ারস ফোরামের বৈঠক

‘বায়ারস ফোরাম’ বৈঠকে উদ্ভাবনী ফ্যাশন ডিজাইন এবং পণ্যের বৈচিত্র্যের উপর জোর

ঢাকা – টেকসই সরবরাহ চেইন নিশ্চিত করতে পোশাক ব্র্যান্ডগুলো এবং বিজিএমইএ (বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি) কোন কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে পারে, সে বিষয়ে মতবিনিময় করতে একটি যৌথ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরাস্থ বিজিএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে ৪০টিরও বেশি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বৈঠকটির মূল লক্ষ্য ছিল পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে অংশীদারিত্বমূলক কৌশল এবং টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়া।

আলোচনার মূল বিষয়বস্তু

বৈঠকে টেকসই সাপ্লাই চেইন নিশ্চিত করতে পোশাক ব্র্যান্ডগুলো এবং বিজিএমইএ কোন কোন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে পারে, সে বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়। আলোচনার মধ্যে ছিলো পোশাক শিল্পের জন্য বাংলাদেশের পণ্যের উপর যুক্তরাষ্ট্রের ২০% শুল্ক আরোপ, সমন্বিত আচরণ বিধি (Unified Code of Conduct) প্রবর্তন, পণ্য বৈচিত্র্যকরণ, শ্রম সংস্কার, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বাংলাদেশের এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের প্রস্তুতি, জিএসপি প্লাস থ্রেশহোল্ডের চ্যালেঞ্জ সহ প্রাসঙ্গিক বিভিন্ন বিষয়।

বিজিএমইএ এর অন্যতম এজেন্ডা ছিল পোশাক শিল্পের জন্য একটি সমন্বিত আচরণ বিধি প্রবর্তনে ব্র্যান্ডগুলোর সহযোগিতা ও সমর্থন পাওয়া, যা সাপ্লাই চেইনে সকল অংশীদারদের উপকৃত করবে। বিজিএমইএ পরিচালক নাফিস-উদ-দৌলা একটি উপস্থাপনার মাধ্যমে দেখান যে কীভাবে একটি সমন্বিত আচরণ বিধি নিরীক্ষা প্রক্রিয়া সহজতর করে এবং কারখানার উপর চাপ কমিয়ে শিল্পকে আরও নৈতিক, টেকসই এবং দায়িত্বশীল করে তুলতে পারে।

বিজিএমইএ সভাপতির বক্তব্য

বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সভায় বাংলাদেশে শ্রম সংস্কারের সাম্প্রতিক অগ্রগ্রতি তুলে ধরে বলেন, এই সংস্কারগুলো শুধু আন্তর্জাতিক মানদণ্ড পূরণের জন্যই নয়, বরং একটি টেকসই ও নিরাপদ শিল্প পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য করা হচ্ছে। তিনি ব্র্যান্ডগুলোকে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের এই ইতিবাচক পরিবর্তনে অংশীদার হিসেবে কাজ করার আহবান জানান।

ব্র্যান্ড প্রতিনিধিদের পরামর্শ ও প্রতিশ্রুতি

ব্র্যান্ড প্রতিনিধিরা বলেছেন, শিল্পে ফ্যাশন ডিজাইনিং এর মাধ্যমে প্রবৃদ্ধির বিশাল সুযোগ রয়েছে। তারা বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি’তে (বিইউএফটি) টেকনিক্যাল ডিজাইন সেকশন খোলা এবং কারখানা পর্যায়ে তরুণ ফ্যাশন ডিজাইনারদের নিয়োগ দেওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। তারা জানান, এটি বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকদের কাছে ব্যান্ডগুলোর অন্যতম প্রত্যাশা।

ভবিষ্যৎ পথচলা

বৈঠকে উপস্থিত পোশাক ব্র্যান্ডগুলোর প্রতিনিধিরা বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নে তাদের অব্যাহত সমর্থনের বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। বিজিএমইএ নেতারা পোশাক শিল্পকে আরও প্রতিযোগিতামূলক এবং নৈতিকভাবে শক্তিশালী করার জন্য শিল্পে বেটার প্রাইসিং মডেল, ইফিশিয়েন্সি মডেল প্রনয়নসহ শিল্পের প্রতিটি ক্ষেত্রে উদ্যোক্তাদের পাশে এগিয়ে আসার জন্য পোশাক ব্র্যান্ডগুলোকে আহবান জানিয়েছেন।