শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে খরচ ইনবাউন্ড লেনদেনের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক ও জ্বালানি সংকটের মুখেও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্পেনের বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, এটি অনন্য নজির: প্রতিমন্ত্রী অমিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার

পোশাক খাতে টেকসই উন্নয়নে কাজ করবে বিজিএমইএ ও অ্যামফরি

ঢাকা, ৬ আগষ্ট : বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইনামুল হক খান এর সঙ্গে বৈঠক করেছেন অ্যামফরি (AMFORI) এর হেড অব বিজনেস ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড নেটওয়ার্ক, জন স্টেলান্সন (John Stellansson)।

উত্তরাস্থ বিজিএমইএমইএ কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে পোশাক শিল্পের টেকসই উন্নয়ন ও নিরীক্ষা (audit) প্রক্রিয়া সহজ করতে একটি সমন্বিত মানদণ্ড তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে জন স্টেলান্সন অ্যামফরি এর নতুন কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন, যেখানে টেকসই উন্নয়নের দায়িত্ব সরবরাহকারী ও প্রস্তুতকারকদের হাতে হস্তান্তরের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে কারখানাগুলো এবং তাদের ক্রেতা/ব্র্র্যান্ডরা, সাপ্লাই চেইনের পাফরমেন্স এবং লিড টাইম, উভয় বিষয়ই ভালোভাবে অনুমান করতে পারবে। অ্যামফরি এর এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সাপ্লাই চেইনে নিরীক্ষার পুনরাবৃত্তি এবং এর ফলে সৃষ্ট আর্থিক বোঝা কমানো। সংস্থাটি সামাজিক ও পরিবেশগত যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় উৎপাদকদের/প্রস্তুতকারকদের সক্রিয় এবং নেতৃত্বস্থানীয় ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করতে চায়।

বিজিএমইএ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ইনামুল হক খান, অ্যামফরি এর এই নতুন কর্মপরিকল্পনাকে স্বাগত জানান এবং পোশাক শিল্পে সামাজিক ও পরিবেশগত মানদণ্ডের জন্য একটি সমন্বিত মানদণ্ড প্রতিষ্ঠার প্রতি বিজিএমইএ এর দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি নিরীক্ষার পুনরাবৃত্তি এড়াতে এবং দক্ষতা বাড়াতে একটি সমন্বিত নিরীক্ষা কাঠামোর প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন, যা প্রস্তুতকারকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বিজিএমইএ প্রস্তুতকারকদের কেন্দ্রে রেখে অ্যামফরি কর্তৃক নেয়া এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছে এবং শিল্পজুড়ে সক্ষমতা বৃদ্ধি, জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া এবং কারখানার ভেতরে উন্নয়নের সুযোগ চিহ্নিত করতে অ্যামফরি এর সাথে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

উভয় পক্ষই একমত হয়েছে যে, সাপ্লাই চেইনে নিরীক্ষা প্রক্রিয়া আরও কার্যকর, সাশ্রয়ী এবং স্বচ্ছ করার জন্য ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও জ্ঞান বিনিময়সহ সম্মিলিত প্রচেষ্টা গ্রহন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

একটি ফলপ্রসূ সহযোগিতার ক্ষেত্র এবং সম্ভাব্য পাইলট কার্যক্রম নিয়ে আরও আলোচনার জন্য উভয় পক্ষ সম্মত হয়েছে।

উল্লেখ্র যে, অ্যামফরি হলো একটি বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক সংস্থা, যা টেকসই বাণিজ্যের উন্নয়নে কাজ করে। এর মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বজুড়ে কোম্পানিগুলোকে তাদের সাপ্লাই চেইন আরও স্বচ্ছ, নৈতিক এবং পরিবেশবান্ধব করতে সাহায্য করা।