মঙ্গলবার ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ঢাকা ইপিজেডে দুটি আধুনিক ওয়েব্রিজ উদ্বোধন করলেন বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষুদ্র আমানতকারীদের টাকা ফেরত শুরু সোমবার থেকে

পোশাক খাতের সংকট মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা চায় বিজিএমইএ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : তৈরি পোশাক খাতের চলমান বহুমুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ ব্যাংককে নীতি সহায়তা জোরদার এবং আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

বৃহস্পতিবার বিজিএমইএ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদের সঙ্গে সংগঠনটির পরিচালক মজুমদার আরিফুর রহমানের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল বৈঠক করে এই অনুরোধ জানায়।

পোশাক রপ্তানিকারকদের এই সংগঠন বিআরপিডি সার্কুলার-০৭/২০২৫ সংশোধনের প্রস্তাব দিয়েছে। যেখানে খেলাপি হিসাবের ক্ষেত্রে নীতিগত সহায়তা পাওয়ার সময়সীমা নভেম্বর ২০২৫ থেকে বাড়িয়ে ৩১ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত করার দাবি জানানো হয়।

বিজিএমইএ প্রতিনিধিরা যুক্তি দেন যে, এই সময়সীমা বাড়ানো হলে ধুঁকতে থাকা এবং ‘রুগ্ন’ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো প্রয়োজনীয় সহায়তার আওতায় আসার সুযোগ পাবে, যা তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে সহায়ক হবে। তারা আরও উল্লেখ করেন, এই পদক্ষেপ ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের (এনপিএল) পরিমাণ কমিয়ে আনতে এবং সামগ্রিক আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভূমিকা রাখবে।

বৈঠকে বিজিএমইএ প্রতিনিধিদল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত নীতিগত সহায়তাগুলোর সঠিক বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে বাধ্যতামূলক নির্দেশনা দেওয়ার দাবি জানায়। তারা অভিযোগ করেন, বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো অনেক সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা সময়মতো কার্যকর না করায় অনেক যোগ্য কারখানা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এছাড়া, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করার আবেদনের সময়সীমা বাড়ানোরও অনুরোধ জানানো হয়। সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বিজিএমইএ জানায়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের কাছ থেকে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই করে একটি স্বচ্ছ ও কার্যকর পুনর্বাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে আরও সময়ের প্রয়োজন।

ডেপুটি গভর্নর ড. মো. কবির আহমেদ প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন যে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের প্রস্তাবগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।

বৈঠকে বিজিএমইএ-র সাবেক সহ-সভাপতি শহিদুল ইসলাম, জনসংযোগ ও প্রচার কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদ কবির এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগের (বিআরপিডি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।