বৃহস্পতিবার ৮ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
সিএমএসএমই খাতের ৫ হাজার কোটি টাকার তহবিল নভেম্বরের মধ্যে বিতরণের নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশে সাশ্রয়ী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহে আগ্রহী তুরস্ক, এফএসআরইউ ও এলএনজি খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব ক্যাশলেস স্বাস্থ্যসেবা প্রসারে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ‘বাংলা কিউআর’ পেমেন্ট চালু<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলাদেশে রিটেইল ব্যাংকিং ব্যবসা বিক্রির সম্ভাবনা যাচাই করছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ১৮ জাপানি সেনার দেহাবশেষ চট্টগ্রাম থেকে উত্তোলন ও প্রত্যাবাসন সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: চট্টগ্রামের ওয়ার সিমেট্রি থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ১৮ জন জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ উত্তোলন (Exhumation) ও স্বদেশে প্রত্যাবাসনের প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

জাপান সরকারের মনোনীত ১০ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল গত ১৭ থেকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত চট্টগ্রামে অবস্থান করে এই উত্তোলনের কাজ করে। অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চট্টগ্রাম এরিয়া কর্তৃপক্ষ পুরো প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করে।

সোমবার সন্ধ্যায় আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, উত্তোলন কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও কারিগরি নেতৃত্বে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খনন বিশেষজ্ঞ লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (অব.), বীর প্রতীক।

দেহাবশেষ উত্তোলনের কাজ শেষ হওয়ার পর গত ২৮ নভেম্বর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি কন্টিনজেন্ট সম্পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় (Full Military Honour) গার্ড অব অনার প্রদান করে। পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিকভাবে দেহাবশেষগুলো জাপানে প্রত্যাবাসন করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালে জাপান সরকারের অনুরোধে কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ২৩ জন জাপানি সৈনিকের দেহাবশেষ একইভাবে উত্তোলন ও প্রত্যাবাসন করা হয়েছিল।