শুক্রবার ১৭ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪% পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব পুরনো মালিকদের হাতে ফিরল আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> গভর্নরের সাথে বিটিএমএ-র বৈঠক: বস্ত্র খাতের সংকট মোকাবিলায় নীতিগত সহায়তার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধির সভাপতিত্বে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

দুবাইয়ের গালফুডে বাংলাদেশের বড় সাফল্য: ২৭.৫ মিলিয়ন ডলারের রপ্তানি ও ক্রয়াদেশ লাভ

নিজস্ব প্রতিবেদক ,দুবাই: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ খাদ্য ও পানীয় বিষয়ক আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ‘গালফুড ২০২৬’-এ বড় ধরনের বাণিজ্যিক সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ। পাঁচ দিনব্যাপী এই মেলায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সব মিলিয়ে ২৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন (২ কোটি ৭৫ লাখ) মার্কিন ডলারের রপ্তানি ও সম্ভাব্য ক্রয়াদেশ পেয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) মেলা শেষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রপ্তানি ও ক্রয়াদেশের চিত্র বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মেলা চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলারের সরাসরি রপ্তানি নিশ্চিত করেছে। এর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছ থেকে আরও ১৭ মিলিয়ন ডলারের সম্ভাব্য ক্রয়াদেশ (Export Orders) পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবারের গালফুডে বাংলাদেশের মোট ৩৪টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-এর অর্থায়নে ও সহায়তায় এসব প্রতিষ্ঠান মেলায় তাদের বৈচিত্র্যময় খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই বিপুল পরিমাণ ক্রয়াদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের খাদ্যপণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মেলার বিস্তারিত দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ও এক্সপো সিটির দুবাই এক্সিবিশন সেন্টার—এই দুই ভেন্যুতে গত ২৬ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল গালফুডের ৩১তম আসর। শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি এর আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। এবারের মেলায় বিশ্বের ১৯০টিরও বেশি দেশের ৮ হাজার ৫০০-এর বেশি শীর্ষস্থানীয় খাদ্য উৎপাদনকারী, সরবরাহকারী ও পরিবেশক অংশ নেন।

উল্লেখ্য, এবারই প্রথমবারের মতো দুবাই শহরের মূল কেন্দ্রের বাইরে দুবাই এক্সিবিশন সেন্টারে (ডিইসি) কান্ট্রি প্যাভিলিয়ন ভিত্তিক এই মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে বাংলাদেশের প্যাভিলিয়নটি দর্শনার্থী ও আমদানিকারকদের নজর কেড়েছে।

বিপুল পরিমাণ এই ক্রয়াদেশের ফলে বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত খাদ্য খাতের সক্ষমতা বিশ্ববাজারে আরও একবার প্রমাণিত হলো বলে মনে করছেন বাণিজ্য বিশ্লেষকরা।