বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
জুলাইয়ের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসী আয় ২৩.৫% বেড়ে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার ২০২৬ সালের প্রথম ৬ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি ০.৬৩% কমে ১৯.৩৪ বিলিয়ন ডলার: ইপিবি আমানতকারীরাই ইসলামী ব্যাংকের প্রকৃত মালিক: বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পোশাক রপ্তানি ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে ৬ দফা রোডম্যাপ; শিল্পে জ্বালানি নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার: মাহদী আমিন হস্তশিল্প খাতের উন্নয়নে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি ও বাংলাক্রাফটের সমঝোতা স্মারক সই ‘হেয়ারকাট’ বাতিল ও মুনাফাসহ আমানত ফেরতের রোডম্যাপ চান সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা ব্যাসেল-৩: ব্যাংকের ‘এনএসএফআর’ রিপোর্টিং কাঠামো সংশোধন করল বাংলাদেশ ব্যাংক এলডিসি–পরবর্তী প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পোশাকশিল্পে এআই ও প্রযুক্তি ব্যবহারের তাগিদ নিরাপদ ও ভোগান্তিহীন লেনদেন নিশ্চিতে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক: গভর্নর

তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আজ অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি বেইজিংয়ের সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

লি কিয়াং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী এবং সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদার; দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান কয়েক দশক পুরোনো।

তিনি স্মরণ করেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১ বছর ধরে বেইজিং ও ঢাকা ধারাবাহিকভাবে একে অপরকে সম্মান করেছে, সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও উইন উইন ফলাফলের পথে অগ্রসর হয়েছে; যা তার ভাষায় রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রে সম্পর্কের এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ তৈরি করেছে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তার সরকার সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের নতুন সরকারকে সমর্থন করে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে লি কিয়াং বলেন, তিনি দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব এগিয়ে নেওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় উচ্চমানের সহযোগিতা জোরদার করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদান-প্রদান সম্প্রসারণের প্রত্যাশা করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যৌথ প্রচেষ্টায় চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে এবং উভয় দেশের জনগণের জন্য আরো বেশি সুফল বয়ে আনবে।