বুধবার ৭ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
জ্বালানি সংকটে থমকে যাচ্ছে অর্থনীতির গতি, দ্রুত সংস্কারের তাগিদ বিশ্বব্যাংকের ট্যাক্স হ্যাভেনের দিন শেষ, বিশ্বজুড়ে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের কৌশল বদলাচ্ছে: আইএমএফ আজকের ডিজিটালের ব্যবধান যেন আগামী দিনের এআই ডিভাইডে পরিণত না হয়: ইস্তাম্বুলে আইসিটি মন্ত্রী জাহাজশিল্পের বিশ্ববাজার ধরতে অনুমোদন সহজ করার উদ্যোগ, দ্রুত টিএসডিএফ স্থাপনের নির্দেশ ঢাকায় এলপিজির তীব্র সংকট, সরকারের বেঁধে দেওয়া দাম উপেক্ষা করে দেদারসে বাড়তি আদায় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে মূল ভিত্তি ‘বিশ্বাস’: তানভীর শাহরিয়ার গনি পরিকল্পিত নগরায়ণে জেলা ও সিটি করপোরেশনে নতুন মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তীব্র সংকটের মাঝেই বাড়ল এলপিজির দাম, খুচরা বাজারে অস্থিরতা জাপান বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন ও বাণিজ্য অংশীদার: রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডজি বিভাগের নবীন বরণ ও বিদায় সংবর্ধনা

শেখার প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান উপাচার্যের
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের ১৯তম ব্যাচের নবীন বরণ ও ১৪তম ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আজ ১১ নভেম্বর ২০২৫ মঙ্গলবার ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগের চেয়ারম্যান ড. শান্টু বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. দিলীপ কুমার বড়ুয়া, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. সুমন কান্তি বড়ুয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দীন আহমদ এবং বৌদ্ধধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি ও পালি এন্ড বুদ্ধিস্ট স্টাডিজ বিভাগের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন লায়ন আদর্শ কুমার বড়ুয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, জীবনের নানা সময় আমাদের সামনে অনেক সুযোগ আসে। কোনটি কাজে লাগবে, আর কোনটি নয়-এ নিয়ে অতিরিক্ত হিসাব না করে সুযোগটিকে কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ। আমি নিজ জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে শেখার, অনুশীলনের এবং আত্মবিকাশের অনেক দ্বার খোলা থাকে। বিশেষ করে ভাষা শেখা এমন এক দক্ষতা, যা দীর্ঘমেয়াদে জীবনের নানা পর্যায়ে কাজে আসে।

উপাচার্য আরও বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে সুযোগ পেয়েছিলাম একটি ডিপ্লোমা প্রোগ্রামে অংশ নেওয়ার। তখন বুঝিনি এর উপকারিতা কী হবে, কিন্তু বহু বছর পর সেটিই আমার আন্তর্জাতিক পরিসরে, বিশেষ করে জাতিসংঘে কাজের ক্ষেত্রে অমূল্য হয়ে দাঁড়ায়। তাই শিক্ষার্থীদের বলব, শেখার সুযোগ পেলেই সেটিকে গ্রহণ করো। ভাষা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন কিংবা স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজে অংশগ্রহণ-সবই তোমার জীবনের বড় সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি উন্মুক্ত দ্বারবিশিষ্ট প্রতিষ্ঠান। এখানে ভালো সুযোগ যেমন আছে, তেমনি বিভ্রান্তির সুযোগও আছে। এখন তোমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে কোন পথটি ধরবে। আজ যারা বিদায় নিচ্ছো, তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়ের দূত হিসেবে দেশ-বিদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করবে-এই প্রত্যাশা রাখি।