শনিবার ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
সর্বশেষ:
‘লকড অ্যান্ড লোড’ থেকে আকস্মিক বিরতি: ইরান ইস্যুতে ট্রাম্পের রণকৌশল বদলের নেপথ্যে কেউ বিএনপিকে দমিয়ে রাখতে পারবে না : তারেক রহমান অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে প্রচার চালাতে পারবে : বদিউল আলম মজুমদার প্রতিযোগিতামূলক বাজারেও ইউরোপে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১৮ বিলিয়ন ইউরো ছাড়িয়েছে জুলাই যোদ্ধাদের ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ সংক্রান্ত সব কর্মকাণ্ডে পূর্ণ ‘দায়মুক্তি’ গণভোটে প্রচারণা সংস্কারের প্রতি সরকারের অঙ্গীকারের অংশ : আসিফ নজরুল প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সপরিবারে সাক্ষাৎ করলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারিক রহমান ব্যাংকিং খাতে তারল্য স্বাভাবিক রাখতে ৯ হাজার কোটি টাকা সরবরাহ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক একীভূত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২ বছর কোনো মুনাফা পাবেন না: গভর্নর

ডিসেম্বরের প্রথম ৯ দিনে ১.১৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স: প্রবাসী আয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি

 চলতি অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ১৪.২০ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৬.৫ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা :বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে ডিসেম্বরের শুরুতেও ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ৯ দিনেই দেশে এসেছে ১.১৬ বিলিয়ন (১১৬ কোটি) মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক (BB) থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ডিসেম্বর ১ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত আসা এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬ শতাংশ বেশি। গত বছর (২০২৪ সালের) ডিসেম্বরের প্রথম ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৯৪৫ মিলিয়ন (৯৪ কোটি ৫০ লাখ) ডলার।

রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণকে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে অন্যতম হলো:

বৈধ চ্যানেলে প্রোণোদনা: ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত প্রণোদনা এবং বৈধ উপায়ে টাকা পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি ক্রমাগত উৎসাহিত করা।

এক্সচেঞ্জ হাউসের সক্রিয়তা: প্রবাসী আয় সংগ্রহে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা।

আর্থিক প্রণোদনা: রেমিট্যান্সে দেওয়া প্রণোদনা প্রবাসীদের হুন্ডি এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (১ জুলাই থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত) রেমিট্যান্স প্রবাহে জোরালো প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১৪.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রবাসী আয় দেশে এসেছে।

গত অর্থবছর (২০২৪-২৫) এর একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ২.১২ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১৬.৫ শতাংশ বছরভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। গত অর্থবছরের একই সময়ে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১২.০৮ বিলিয়ন ডলার।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।