রবিবার ১৯ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০২৭ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি কমে ৩.৫ শতাংশ হতে পারে: আইএমএফ<gwmw style="display:none;"></gwmw> আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য বিশেষ ঋণ পুনঃতফসিল সুবিধা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ঢাকা ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ও শ্রম ব্যবস্থাপনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন আইএলও কান্ট্রি ডিরেক্টর জুলাই আন্দোলনের লক্ষ্য বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম আদালতের আদেশে বিএফআইইউর ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক, সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট বেড়েছে ৭৪% পরিবহন, লজিস্টিকস ও সামুদ্রিক খাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী সৌদি আরব পুরনো মালিকদের হাতে ফিরল আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক<gwmw style="display:none;"></gwmw> গভর্নরের সাথে বিটিএমএ-র বৈঠক: বস্ত্র খাতের সংকট মোকাবিলায় নীতিগত সহায়তার দাবি বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধির সভাপতিত্বে ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত

এস আলমের গ্রেপ্তার ও পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের দাবি ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক পরিষদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানের অবিলম্বে গ্রেপ্তার এবং পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের দাবিতে আজ রবিবার মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেছে ‘ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ গ্রাহক সমন্বয় পরিষদ’।

এর আগে সকালে চাকরিচ্যুত ছয়টি শরিয়াহ-ভিত্তিক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের পুনর্বহালের দাবিতে আয়োজিত পৃথক একটি বিক্ষোভের পর এই কর্মসূচি পালন করা হয়। গ্রাহক সমন্বয় পরিষদের মানববন্ধনে ‘এস আলম আর নয়’, ‘ব্যাংক দখলের ষড়যন্ত্র বন্ধ করো’ এবং ‘ব্যাংক দখলের কালো আইন বাতিল করো’ সম্বলিত বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করা হয়।

সমাবেশ চলাকালীন পরিষদের সভাপতি নুরুন্নবী পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন এবং সাবেক ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে ১৫ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

পাঁচ দফা দাবিগুলো হলো:

১. এস আলমসহ শীর্ষ ব্যাংক লুটেরাদের গ্রেপ্তার, তাদের দেশীয় সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং বিদেশ থেকে পাচার করা টাকা ফেরত আনা।

২. ব্যাংক রেজোলিউশন অ্যাক্টের ১৮/এ ধারা অবিলম্বে বাতিল করা, যা পরিষদের মতে লুটেরাদের পুনর্বাসনের জন্য যুক্ত করা হয়েছিল।

৩. ‘এস আলমের সহযোগী’ বা ‘পটিয়া বাহিনী’কে পুনরায় ব্যাংকের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেওয়া হলে সরকারকে এর দায়ভার গ্রহণ করতে হবে।

৪. ‘অবৈধ দখলদার বাহিনী’র কোনোভাবেই ব্যাংকে পুনরায় প্রবেশের চেষ্টা বরদাস্ত করা হবে না।

৫. সাবেক শাসনামলের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক দখল করা ব্যাংকগুলোর মালিকানা মূল মালিকদের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে।

১৫ দিনের কর্মসূচি:

পরিষদের পরবর্তী কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত লিফলেট বিতরণ, ফেসবুক ও এক্স-এর (সাবেক টুইটার) মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেমিনার ও র‍্যালি আয়োজন করা।

এ সময় তারা ব্যাংক লুটপাট ও অর্থ পাচারে সহায়তাকারী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের চিহ্নিত করে রেকর্ড রাখার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানান। পরিষদ জোর দিয়ে বলে যে, বাজেয়াপ্ত করা অর্থ বেকার যুবক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কর্মসংস্থানের কাজে ব্যবহার করতে হবে।

বর্তমানে মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।