বৃহস্পতিবার ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিবিসিসিআই’র ডিরেক্টর নির্বাচিত হলেন জহিরুল ইসলাম, আজীবন সদস্য পদ পেলেন কিবরিয়া ও মোর্তুজা<gwmw style="display:none;"></gwmw> দ্বিতীয় প্রান্তিকে সাব-ব্রাঞ্চে আমানত বেড়ে ৮৪,২৬৩ কোটি টাকা, ঋণ বিতরণ কমেছে ৭.৭ শতাংশ<gwmw style="display:none;"></gwmw> US cotton warehouse to launch in Chattogram in mid-November to boost bilateral trade তা আমদানিতে বন্ড সুবিধা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর তীব্র আপত্তি<gwmw style="display:none;"></gwmw> রাজধানীতে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে ১১তম ‘বাপা ফুডপ্রো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ২০২৪’ ‘ওয়ান বাই মেটলাইফ’ অ্যাপে গ্রাহকদের জন্য নতুন ৪ ফিচার যুক্ত ২০২৮ সালের মধ্যে শেয়ারবাজারে ডেরিভেটিভস চালুর লক্ষ্য: ডিএসই ঋণের জামানত মূল্যায়নে ১৩১ প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দিল বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্য অর্থায়ন বাড়াতে সিটি ব্যাংকে আইটিএফসির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল

এনইআইআর বাস্তবায়ন: গ্রাহক সুরক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ—এমআইওবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : বাংলাদেশে মোবাইল হ্যান্ডসেটের অবৈধ বাজার বন্ধ এবং গ্রাহক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নকে একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছে বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি)।

মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি জানায়, ‘এনইআইআর-এর হাত ধরে শুরু হোক নিরাপদ বাংলাদেশ’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে এই উদ্যোগ দেশের ডিজিটাল লেনদেন ও গ্রাহক নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে। বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, এই সিস্টেম কার্যকর হওয়ার ফলে অবৈধ, নকল এবং চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের ব্যবহার সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর চালু করার সরকারি সিদ্ধান্তকে ‘সময়োপযোগী ও ইতিবাচক’ বলে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নকল ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারে একটি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি করা অনেক সহজ হবে।”

সংগঠনটি স্মার্টফোন আমদানিতে শুল্ক ৬১ শতাংশ থেকে কমিয়ে প্রায় ৪৩ শতাংশ করার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে। তারা মনে করে, এই শুল্ক হ্রাস এবং এনইআইআর-এর সমন্বিত প্রভাবে হ্যান্ডসেটের দাম কমবে এবং বৈধ আমদানিতে ব্যবসায়ীরা উৎসাহিত হবেন।

স্থানীয় মোবাইল খাতের চিত্র ও অর্থনীতিতে প্রভাব

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে বাংলাদেশে ১৮টি স্থানীয় উৎপাদন কারখানায় ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ রয়েছে। এই খাতে প্রায় ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে, যার মধ্যে ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিক এবং এদের ৩০ শতাংশই নারী।

বক্তারা আরও জানান, এর আগে অবৈধ ‘গ্রে মার্কেট’ বা চোরাই পথে আসা হ্যান্ডসেটের কারণে সরকার প্রতি বছর প্রায় ৫,০০০ থেকে ৬,০০০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাত। এনইআইআর সিস্টেম এই বিশাল রাজস্ব ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করবে।

বিটিআরসিতে হামলার নিন্দা

গত ১ জানুয়ারি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এমআইওবি। তারা স্পষ্ট করে বলেন, সারা দেশে ১২ হাজার মোবাইল ব্যবসায়ীর মধ্যে মাত্র ১,৫০০ জন ক্ষুদ্র একটি গোষ্ঠী এই প্রতিবাদের নামে বিশৃঙ্খলায় লিপ্ত ছিল।

এমআইওবি শঙ্কা প্রকাশ করে বলেছে যে, এ ধরনের বিশৃঙ্খলা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে এবং সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) নিরুৎসাহিত করতে পারে। তারা যে কোনো দ্বিমত বা সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে আইনি পথে সমাধানের আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এমআইওবি কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, সাইফুদ্দিন টিপু, বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ডিস্ট্রিবিউটর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল হারুন এবং এমআইওবি কোষাধ্যক্ষ ইমাম উদ্দিন।