রবিবার ২৪ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মুনাফাসহ পূর্ণ টাকা ফেরত চান ৬ এনবিএফআইয়ের আমানতকারীরা; শুধু মূলধন ফেরতের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান অর্থনীতিতে গতি আনতে ও ২৫ লাখ কর্মসংস্থানের টার্গেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা আস্থা হারানো ইসলামী ব্যাংকের পুনরুদ্ধারের লড়াই এবং ওমর ফারুক খানের নেতৃত্বের গল্প আসন্ন বাজেটে পরোক্ষ করের ফাঁদ: অর্থনৈতিক বৈষম্য আরও বাড়ার আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশ করার দাবি এনডিএফের<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দিলে কার্যকর অংশীদারিত্বে এগিয়ে আসবে নিউজিল্যান্ড: বিজিএমইএ-এর সঙ্গে বৈঠকে হাইকমিশনার রাজধানীতে দেশের প্রথম ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড রিপোর্টিং সম্মেলন বুধবার<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনলাইন সহিংসতা দেশে ৬৩.৫% নারী ডিজিটাল সহিংসতার শিকার: গণমাধ্যমের জোরালো ভূমিকার তাগিদ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বেসরকারি ঋণের প্রবাহ বাড়াতে আগামী বাজেটে ব্যাংক ঋণ কমাচ্ছে সরকার

উদার অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে সংস্কার বাস্তবায়ন করছে সরকার : বাণিজ্য উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আজ বলেছেন, একটি অধিকতর উদার, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাণিজ্য নীতি ও বাণিজ্যিক আইনে ব্যাপক সংস্কার বাস্তবায়ন করছে সরকার।

তিনি বলেন, বাণিজ্য কার্যক্রম সহজীকরণের লক্ষ্যে সরকার বর্তমানে ‘আমদানি নীতি আদেশ’ (আইপিও) সংশোধনের কাজ চূড়ান্ত করেছে।

আজ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে উপদেষ্টা বলেন, ‘এই সংস্কারগুলোর মূল লক্ষ্য হলো- লেনদেনের মাধ্যমগুলো সহজ করা এবং বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে স্বাক্ষরকারী, সেগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কনফরমিটি অ্যাসেসমেন্টের শর্তগুলো সমন্বয় করা। এসব সংশোধনী খুব শিগগিরই, সম্ভবত আগামী মন্ত্রিসভা বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে।’

বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আইনি কাঠামোকে আরও যুগোপযোগী করতে কোম্পানি আইন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ (প্রতিযোগিতা আইন) বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনের সংশোধনী প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, বাণিজ্য খাতে কাঠামোগত, প্রক্রিয়াগত ও সাংস্কৃতিক পরিবর্তন আনতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং এর বিভিন্ন উইং সম্মিলিতভাবে কাজ করছে।

আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাণিজ্য আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা তুলে ধরে ভারতের সাথে বাণিজ্য সম্পর্কের বিষয়ে উপদেষ্টা বলেন, প্রতিদিনের দ্বিপাক্ষিক ছোটোখাটো ঘটনাগুলো সাধারণত বৃহত্তর বাণিজ্য গতিশীলতায় প্রভাব ফেলে না।

তিনি আরও বলেন, ‘গত বছরের শুরুতে (মে মাসের দিকে) ভারতীয় বন্দর বন্ধ থাকার কারণে বাংলাদেশের রপ্তানি কমলেও সরকার কোনো পাল্টা ব্যবস্থা নেয়নি।’

উপদেষ্টা স্পষ্ট করেন, পাট রপ্তানিতে বিধিনিষেধের মতো কিছু অভ্যন্তরীণ নীতি শুধুমাত্র দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা পূরণ ও স্থানীয় সরবরাহ বজায় রাখার জন্য নেওয়া হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট বাণিজ্য অংশীদারকে লক্ষ্য করে নয়।

তিনি আরও বলেন, কোনো বিশেষ বাণিজ্য পরিস্থিতি জাতীয় অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী উদার বাণিজ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

রমজান মাসকে সামনে রেখে উপদেষ্টা বলেন, ১৯ জানুয়ারি অংশীজনদের নিয়ে একটি সভা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সভায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বর্তমান মজুত এবং আমদানি পরিস্থিতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হবে, যাতে বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায় এবং সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধি রোধ করা যায়।