সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬
সর্বশেষ:
বাংলা কিউআরে লেনদেন ১১০ কোটি টাকা ছাড়াল চট্টগ্রামে রবির ‘এলিট এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড’, যুক্ত হলো ২১ নতুন অংশীদার ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন: ৫০ হাজার কর্মসংস্থান ও জিডিপিতে অবদান বৃদ্ধির লক্ষ্য ২২ দিনে প্রবাসী আয় ২১৫ কোটি ডলার ছাড়াল ইনভেস্ট বাংলাদেশ-এর কার্যক্রম শুরু শিল্পখাতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের আহ্বান ঢাকা চেম্বারের প্রবাসী আয়ের একটি অংশ এসএমই খাতে বিনিয়োগ করলে কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতি শক্তিশালী হবে: আইওএম প্রধান<gwmw style="display:none;"></gwmw> গ্রাম থেকে শহর—প্রতিটি মানুষের কাছে উন্নত ইন্টারনেট ও টেলিকম সেবা পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান টেলিযোগাযোগ মন্ত্রীর এসএস পাওয়ারকে ৩২ লাখ ডলারের বৈদেশিক ঋণ ছাড়ের অনুমতি দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংক ও ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের মধ্যে কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের মধ্যে একটি কর্পোরেট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির ফলে ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের আওতাধীন ১৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা তাদের টিউশন ফি, সেশন ফি-সহ যাবতীয় পাওনা অত্যন্ত দ্রুত ও সহজে ডিজিটাল মাধ্যমে পরিশোধ করতে পারবেন।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর একটি অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির আওতায় অভিভাবকরা ইসলামী ব্যাংকের জনপ্রিয় অ্যাপ ‘সেলফিন’ (CellFin) এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘এমক্যাশ’ (mCash)-এর মাধ্যমে এই কর্পোরেট সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ খুরশীদ ওয়াহাব এবং রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান এস. এম. আব্দুল হামিদ, এফসিএ। এছাড়া ব্যাংকের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর (চলতি দায়িত্ব) মো. আলতাফ হুসাইনও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ইসলামী ব্যাংকের পক্ষে অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর ড. এম কামাল উদ্দীন জসীম এবং ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আলী নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

এ সময় ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মজনুজ্জামানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এই ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ফি সংগ্রহ প্রক্রিয়াকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করবে, যা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সময় সাশ্রয় করবে।