সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি অর্জনে বিনিয়োগে জোর সরকারের: শামা ওবায়েদ এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে সরবরাহ তলানিতে: গভীর হচ্ছে গ্যাস সংকট, বাসাবাড়িতে হাহাকার অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে কোটিপতি হিসাব বেড়েছে ৭ হাজার: বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিভাগীয় মামলা ২ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সুইসটেল’ হোটেল হচ্ছে না, ৮০০ কোটি টাকায় ভবনটি কিনছে পূবালী ব্যাংক ইডিএফ ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে ২৭০ দিন করার সুযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মাস্টার সার্কুলার জারি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ‘বাংলা কিউআর’ বাস্তবায়নে সহযোগিতার আহ্বান বিডার নতুন কৌশলে সুফল: ১.৫ বিলিয়ন ডলারের পাইপলাইন থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার এফডিআই বাস্তবায়নে জুলাইয়ের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসী আয় ২৩.৫% বেড়ে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার

অর্থবছরে রেমিট্যান্সে ১৮ শতাংশের বড় প্রবৃদ্ধি, জুনের শুরুতে সামান্য হ্রাস

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা :

চলতি ২০১৫-২৬ অর্থবছরে দেশের প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) ধারায় বড় ধরনের উল্লম্ফন বজায় রয়েছে। সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের শুরু থেকে গত ৩ জুন পর্যন্ত দেশে মোট ৩ হাজার ৩২৪ কোটি (৩৩.২৪ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে। যা বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮.২৫ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৮১১ কোটি (২৮.১১ বিলিয়ন) ডলার।

তবে অর্থবছরের সার্বিক চিত্র ইতিবাচক হলেও চলতি জুন মাসের প্রথম তিন দিনে রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা মন্থর গতি দেখা গেছে। এই তিন দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৪৮ কোটি ৩০ লাখ (৪৮৩.০৫ মিলিয়ন) ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ শতাংশ কম।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রেমিট্যান্সের এই হালনাগাদ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩ জুন একক দিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১১ কোটি ৬৩ লাখ (১১৬.৩১ মিলিয়ন) ডলার। তবে ১ থেকে ৩ জুনের এই সংগ্রহ গত বছরের (২০২৫ সালের ১-৩ জুন) একই মেয়াদের তুলনায় ১৯.৯৬ শতাংশ কম। বিগত ২০২৫ সালের জুনের প্রথম তিন দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ৬০ কোটি ৩৫ লাখ (৬০৩.৫১ মিলিয়ন) ডলার।

সংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মাসের শুরুতে তিন দিনের এই পতন সাময়িক। সাধারণত কোরবানির ঈদ (ঈদুল আজহা) বা উৎসবের আগে ও পরে রেমিট্যান্স প্রবাহে এ ধরনের ওঠানামা দেখা যায়। তবে পুরো অর্থবছরে প্রায় সাড়ে ১৮ শতাংশের ওপর প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক সংকেত।

বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলারের আকর্ষণীয় রেট এবং প্রবাসী বান্ধব নীতিমালার কারণে অর্থবছরের বাকি দিনগুলোতেও রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী অবস্থান বজায় থাকবে।