শনিবার ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিগত সরকারের ভুল নীতি ও আমদানিনির্ভরতাই বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণ: তিতুমীর ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ আবার ৬ লাখ কোটি টাকা ছাড়ালো ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ঋণ পুনর্গঠনে নীতি সহায়তার আবেদনের সময় বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এনামুল হক ৭ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যক্তি গ্রাহকদের আসল আমানত ফেরত দিচ্ছে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সেপ্টেম্বরেও অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ২৬ হাজার কোটি টাকা, ৬ মূল বেতনের সমান বোনাস পাচ্ছেন কর্মকর্তারা উত্তরবঙ্গে কৃষিভিত্তিক অর্থনৈতিক কেন্দ্র: ৩ হাজার কোটি টাকার তহবিলের সুদহার কমিয়ে ৭% করল বাংলাদেশ ব্যাংক মেঘনা ব্যাংকের ৪০০ কোটি টাকার সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড অনুমোদন করল বিএসইসি

এপ্রিলেই রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ানোর আভাস: ১৪ দিনে এল ১.৬ বিলিয়ন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: দেশে প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহে ব্যাপক ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এপ্রিলের প্রথম ১৪ দিনেই প্রবাসী বাংলাদেশিরা ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এই ধারা অব্যাহত থাকলে চলতি মাস শেষে রেমিট্যান্স ৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ১ থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে ১.৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ১.২৮ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, গত বছরের তুলনায় এপ্রিলের প্রথম দুই সপ্তাহে রেমিট্যান্স প্রবাহে ২৫.২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে।

অর্থবছরের চিত্র: চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে (১ জুলাই) ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে মোট ২৭.৮১ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে এই অংক ছিল ২৩.০৬ বিলিয়ন ডলার। বছরওয়ারি হিসেবে রেমিট্যান্স প্রবাহে ২০.০৬ শতাংশ শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে।

প্রবৃদ্ধির নেপথ্যে: বিশ্লেষক ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই “অপ্রত্যাশিত” এবং শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পেছনে কয়েকটি মূল কারণ চিহ্নিত করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে:

  • মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা।
  • উন্নত দেশগুলোতে কর্মরত প্রবাসীদের আয়ের স্তর বৃদ্ধি।
  • বৈশ্বিক অর্থনীতির ধারাবাহিক পুনরুদ্ধার।

অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই ইতিবাচক প্রবণতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা মনে করছেন, প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রার সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং জাতীয় অর্থনীতির বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হবে।

আরও পড়ুন