সোমবার ১১ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
ইইউ-এর ‘ডিজিটাল প্রোডাক্ট পাসপোর্ট’ পরিপালনে বিজিএমইএ ও অ্যাওয়ার-এর ঐতিহাসিক চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনকে টপকে দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক এখন বাংলাদেশ টিকে থাকতে ভ্যাট হ্রাস ও গ্যাস সংযোগের দাবি রেস্তোরাঁ মালিকদের পোশাক খাতের সবুজ রূপান্তরে বিজিএমইএ ও জিআইজেড-এর ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শিল্পের অস্তিত্ব রক্ষায় সৌরশক্তি ও এলএনজিতে আমূল পরিবর্তনের আহ্বান বিশেষজ্ঞদের ভাতা নয়, জীবনযাত্রার সুরক্ষায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’: কল্যাণ রাষ্ট্রের পথে বাংলাদেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের আধুনিকায়নে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ব্যবসা পুনর্গঠনে নীতিগত সহায়তার মেয়াদ বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক পরিবহন খাতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় একীভূত নীতিমালা জারি করল বাংলাদেশ ব্যাংক

ঈদুল ফিতরের আগে রেমিট্যান্সের জোয়ার: ২৪ দিনে এল ৩ বিলিয়ন ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশে প্রবাসী আয়ের প্রবাহে ব্যাপক গতি সঞ্চার হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চের প্রথম ২৪ দিনেই দেশে এসেছে ৩.০৫ বিলিয়ন (৩০৫ কোটি) মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই প্রবাহ ১০.৯ শতাংশ বেশি। ২০২৫ সালের মার্চের প্রথম ২৪ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল ২.৭৪ বিলিয়ন ডলার।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রবাসী আয় একের পর এক নতুন রেকর্ড গড়ছে। গত বছরের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট ২৫.৫ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এটি গত অর্থবছরের (২০২৪-২৫) একই সময়ের ২১.২৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ২০.১ শতাংশ বেশি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকারের ২.৫ শতাংশ নগদ প্রণোদনা অবৈধ ‘হুন্ডি’ ব্যবস্থা নিরুৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, মাসের প্রথমার্ধেই আয়ের প্রবাহ ছিল সবচেয়ে বেশি। মার্চের প্রথম ১৪ দিনেই প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২.২০ বিলিয়ন ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫.৭ শতাংশ বেশি। এছাড়া ১৬ থেকে ২৩ মার্চের মধ্যে দেশে আরও ৩৯২ মিলিয়ন ডলার এসেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ উপলক্ষে পরিবারের উৎসবের খরচ মেটাতে প্রতি বছরই এই সময়ে প্রবাসীরা বেশি টাকা পাঠিয়ে থাকেন।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এই নিরবচ্ছিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ দেশের রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে। ২০২৬ সালের ১৬ মার্চের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের গ্রস (মোট) রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলারে। আইএমএফ-এর বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুযায়ী নিট রিজার্ভের পরিমাণ ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার।

অর্থনীতিবিদদের মতে, প্রবাসীদের এই ইতিবাচক ধারা অব্যাহত থাকলে ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে রেমিট্যান্স আহরণ পূর্বের সকল রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। এতে টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল হওয়ার পাশাপাশি বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের ওপর চাপ অনেকাংশে কমে আসবে।