শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষ:
বিদেশে বাংলাদেশিদের কার্ডে খরচ ইনবাউন্ড লেনদেনের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি: বাংলাদেশ ব্যাংক বৈশ্বিক ও জ্বালানি সংকটের মুখেও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখতে লড়াই করে যাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত স্পেনের বার্সেলোনা টেক্সটাইল এক্সপো ২০২৬-এ বাংলাদেশ প্যাভিলিয়ন উদ্বোধন যশোর জেলা বিএনপি কার্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন, এটি অনন্য নজির: প্রতিমন্ত্রী অমিত<gwmw style="display:none;"></gwmw><gwmw style="display:none;"></gwmw> মধ্যপ্রাচ্য সংকটে ৮ মাসে জ্বালানিতে অতিরিক্ত খরচ ৪১২ কোটি ডলার: উপদেষ্টা তিতুমীর সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের এমডির চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করল সরকার নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধ চর্চা জরুরি: শিক্ষামন্ত্রী পুঁজিবাজারে তরুণদের অংশগ্রহণ ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বাড়াতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য: বিএসইসি কমিশনার মধ্য অক্টোবরে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৩.৩ শতাংশ প্রবৃদ্ধি, অর্জন ১.৭৪ বিলিয়ন ডলার

রপ্তানি সংকটের মুখে পোশাক শ্রমিকদের বেতন দিতে বিশেষ ঋণ দিচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সময়মতো পরিশোধ নিশ্চিত করতে রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বিশেষ মেয়াদি ঋণ দেওয়ার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক চাপের কারণে দেশের রপ্তানি খাতের তারল্য এবং উৎপাদন ক্ষমতা সংকটের মুখে পড়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধান ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) জানায়, ক্রয়াদেশ হ্রাস এবং শিপমেন্ট পিছিয়ে যাওয়ার মধ্যেও উৎপাদনের গতি বজায় রাখা এবং রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো সচল রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের বিদ্যমান চলতি মূলধনের (Working Capital) সীমার বাইরেও এই মেয়াদি ঋণ দিতে পারবে।

ঋণের শর্তাবলি:

  • ঋণের পরিমাণ: সংশ্লিষ্ট কারখানার গত তিন মাসের গড় বেতন ও ভাতার বেশি ঋণ দেওয়া যাবে না।
  • সুদের হার: প্রচলিত বাজারভিত্তিক সুদের হার প্রযোজ্য হবে। তবে কোনো অতিরিক্ত ফি, মুনাফা বা কমিশন নেওয়া যাবে না।
  • পরিশোধের সময়সীমা: তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ (কিস্তি স্থগিতের সময়) সর্বোচ্চ এক বছরের মধ্যে সমান মাসিক বা ত্রৈমাসিক কিস্তিতে এই ঋণ পরিশোধ করতে হবে।

যোগ্যতা: কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংজ্ঞা অনুযায়ী, যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠান তাদের মোট উৎপাদনের অন্তত ৮০ শতাংশ রপ্তানি করে, তারা এই সুবিধা পাবে। এছাড়া ‘সচল’ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত হতে হলে সংশ্লিষ্ট কারখানাকে নভেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নিয়মিত শ্রমিকদের বেতন পরিশোধের রেকর্ড থাকতে হবে।

যোগ্যতার বিষয়টি বিজিএমইএ (BGMEA) বা বিকেএমইএ (BKMEA)-র মতো সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠনগুলো কর্তৃক প্রত্যয়িত হতে হবে।

স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং তহবিলের অপব্যবহার রোধে সার্কুলারে কঠোরভাবে বলা হয়েছে যে, ঋণের অর্থ সরাসরি শ্রমিকদের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) অ্যাকাউন্টে জমা দিতে হবে। বিতরণের জন্য কারখানা কর্তৃপক্ষের হাতে কোনো নগদ টাকা দেওয়া হবে না।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক মনে করছে, সাম্প্রতিক চ্যালেঞ্জিং ব্যবসায়িক পরিস্থিতির মধ্যে এই উদ্যোগ টেক্সটাইল ও তৈরি পোশাক খাতের জন্য প্রয়োজনীয় স্বস্তি বয়ে আনবে।