মঙ্গলবার ২৬ মে, ২০২৬
সর্বশেষ:
৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে মুনাফাসহ পূর্ণ টাকা ফেরত চান ৬ এনবিএফআইয়ের আমানতকারীরা; শুধু মূলধন ফেরতের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান অর্থনীতিতে গতি আনতে ও ২৫ লাখ কর্মসংস্থানের টার্গেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা ঘোষণা আস্থা হারানো ইসলামী ব্যাংকের পুনরুদ্ধারের লড়াই এবং ওমর ফারুক খানের নেতৃত্বের গল্প আসন্ন বাজেটে পরোক্ষ করের ফাঁদ: অর্থনৈতিক বৈষম্য আরও বাড়ার আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের স্বাস্থ্য খাতে বাজেট বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশ করার দাবি এনডিএফের<gwmw style="display:none;"></gwmw> বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট রূপরেখা দিলে কার্যকর অংশীদারিত্বে এগিয়ে আসবে নিউজিল্যান্ড: বিজিএমইএ-এর সঙ্গে বৈঠকে হাইকমিশনার রাজধানীতে দেশের প্রথম ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড রিপোর্টিং সম্মেলন বুধবার<gwmw style="display:none;"></gwmw> অনলাইন সহিংসতা দেশে ৬৩.৫% নারী ডিজিটাল সহিংসতার শিকার: গণমাধ্যমের জোরালো ভূমিকার তাগিদ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বেসরকারি ঋণের প্রবাহ বাড়াতে আগামী বাজেটে ব্যাংক ঋণ কমাচ্ছে সরকার

তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আজ অভিনন্দন জানিয়েছেন চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং। বাংলাদেশের নতুন সরকারের প্রতি বেইজিংয়ের সমর্থনও পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার পাঠানো এক শুভেচ্ছা বার্তায় চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দায়িত্ব গ্রহণ উপলক্ষে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

লি কিয়াং বলেন, চীন ও বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী এবং সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদার; দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ আদান-প্রদান কয়েক দশক পুরোনো।

তিনি স্মরণ করেন, কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১ বছর ধরে বেইজিং ও ঢাকা ধারাবাহিকভাবে একে অপরকে সম্মান করেছে, সমতার ভিত্তিতে আচরণ করেছে এবং পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতা ও উইন উইন ফলাফলের পথে অগ্রসর হয়েছে; যা তার ভাষায় রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রে সম্পর্কের এক উৎকৃষ্ট উদাহরণ তৈরি করেছে।

চীনের প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তার সরকার সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের নতুন সরকারকে সমর্থন করে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে লি কিয়াং বলেন, তিনি দুই দেশের ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্ব এগিয়ে নেওয়া, বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের আওতায় উচ্চমানের সহযোগিতা জোরদার করা এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আদান-প্রদান সম্প্রসারণের প্রত্যাশা করেন।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যৌথ প্রচেষ্টায় চীন-বাংলাদেশ সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব নতুন উচ্চতায় উন্নীত হবে এবং উভয় দেশের জনগণের জন্য আরো বেশি সুফল বয়ে আনবে।