শুক্রবার ১২ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
ব্যাংকে পারিবারিক নিয়ন্ত্রণ রোধে ব্যাংক কোম্পানি আইনের সংশোধনীর অবিলম্বে বাস্তবায়ন জরুরি: সাবেক গভর্নর করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ৩.৭৫ লাখ টাকা করার প্রস্তাব, বছরজুড়ে দেওয়া যাবে রিটার্ন তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট: উন্নয়ন ধারা সচল, সংস্কার ও জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক, আবগারি শুল্কমুক্ত সীমা বেড়ে ৪ লাখ টাকা স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য পূর্ণাঙ্গ ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব বাজেট ২০২৬-২৭: সংস্কার প্রস্তাবকে ফিকির স্বাগত, তবে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে সংশয় রোগীদের স্বার্থে হাসপাতাল খোলা রাখার সুযোগ চায় আদ্-দ্বীন কর্তৃপক্ষ আগামীকাল ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার মেগা বাজেট পেশ করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবিবির; এসএমই খাতের জন্য ৬০ হাজার কোটি টাকার নতুন প্যাকেজ

ডিসেম্বরের প্রথম ৯ দিনে ১.১৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স: প্রবাসী আয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি

 চলতি অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স ১৪.২০ বিলিয়ন ডলার, প্রবৃদ্ধি ১৬.৫ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকা :বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স প্রবাহে ডিসেম্বরের শুরুতেও ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি মাসের প্রথম ৯ দিনেই দেশে এসেছে ১.১৬ বিলিয়ন (১১৬ কোটি) মার্কিন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংক (BB) থেকে প্রাপ্ত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ডিসেম্বর ১ থেকে ৯ তারিখ পর্যন্ত আসা এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২.৬ শতাংশ বেশি। গত বছর (২০২৪ সালের) ডিসেম্বরের প্রথম ৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছিল প্রায় ৯৪৫ মিলিয়ন (৯৪ কোটি ৫০ লাখ) ডলার।

রেমিট্যান্সের এই শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির পেছনে বেশ কয়েকটি কারণকে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে অন্যতম হলো:

বৈধ চ্যানেলে প্রোণোদনা: ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ প্রেরণে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত প্রণোদনা এবং বৈধ উপায়ে টাকা পাঠাতে প্রবাসীদের প্রতি ক্রমাগত উৎসাহিত করা।

এক্সচেঞ্জ হাউসের সক্রিয়তা: প্রবাসী আয় সংগ্রহে এক্সচেঞ্জ হাউসগুলোর সক্রিয় ভূমিকা।

আর্থিক প্রণোদনা: রেমিট্যান্সে দেওয়া প্রণোদনা প্রবাসীদের হুন্ডি এড়িয়ে চলার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (১ জুলাই থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত) রেমিট্যান্স প্রবাহে জোরালো প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মোট ১৪.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রবাসী আয় দেশে এসেছে।

গত অর্থবছর (২০২৪-২৫) এর একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ২.১২ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা ১৬.৫ শতাংশ বছরভিত্তিক প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। গত অর্থবছরের একই সময়ে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ১২.০৮ বিলিয়ন ডলার।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে প্রবাসী আয়ের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধিকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।