সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬
সর্বশেষ:
২০৩৪ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি অর্জনে বিনিয়োগে জোর সরকারের: শামা ওবায়েদ এলএনজি টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডে সরবরাহ তলানিতে: গভীর হচ্ছে গ্যাস সংকট, বাসাবাড়িতে হাহাকার অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে কোটিপতি হিসাব বেড়েছে ৭ হাজার: বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিভাগীয় মামলা ২ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘সুইসটেল’ হোটেল হচ্ছে না, ৮০০ কোটি টাকায় ভবনটি কিনছে পূবালী ব্যাংক ইডিএফ ঋণের মেয়াদ বাড়িয়ে ২৭০ দিন করার সুযোগ, বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন মাস্টার সার্কুলার জারি বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক: বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও ‘বাংলা কিউআর’ বাস্তবায়নে সহযোগিতার আহ্বান বিডার নতুন কৌশলে সুফল: ১.৫ বিলিয়ন ডলারের পাইপলাইন থেকে ৪০০ মিলিয়ন ডলার এফডিআই বাস্তবায়নে জুলাইয়ের প্রথম ২১ দিনে প্রবাসী আয় ২৩.৫% বেড়ে ২০৯ কোটি ৫০ লাখ ডলার

সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে আত্মবিশ্বাসী সরকার: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

ঢাকা, ২৩ আগস্ট: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণ অপরিহার্য।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, রপ্তানি-কেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমেই দেশ সমৃদ্ধ হবে। শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্য সমৃদ্ধির একটি নতুন পথ খুলেছে।শনিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে ‘মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, মার্কিন পাল্টা শুল্ক আরোপের পর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সরকার দুর্বল বা অনভিজ্ঞ—এমন সমালোচনা সত্ত্বেও, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সফল চুক্তি করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, এই আলোচনায় একটি সুদৃঢ় প্রস্তুতি ছিল। বিশেষ করে, অধ্যাপক ইউনূস মার্কিন সমাজকে খুব ভালোভাবে চেনেন, ড. খলিলুর রহমান বাণিজ্য বিষয়ে অভিজ্ঞ, এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা নিজেও একজন বড় রপ্তানিকারক হিসেবে বৈশ্বিক বাজার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখেন।

এসব সমন্বিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার কারণে বাংলাদেশ ভালো ফলাফল নিয়ে আসতে পেরেছে।

প্রেস সচিব উল্লেখ করেন, বাণিজ্য আলোচনা চলাকালীন বিষয়গুলো জনসম্মুখে প্রকাশ না করার একটি প্রথা রয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কিছু মহল রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, “ইন্দোনেশিয়া যখন আলোচনা করেছে তখন তো কিছুই প্রকাশ করেনি। কিন্তু এখানে আমরা দেখেছি যে, আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং খুবই ভালো প্রস্তুতি।”

শফিকুল আলম বলেন, “আমরা এমন একটা জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি, যেটা সবার জন্য লাভজনক।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সফল আলোচনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও নিবিড় ও উন্নত হবে।