রবিবার ৭ জুন, ২০২৬
সর্বশেষ:
১১ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি কমেছে ৩.৪১%: ইইউ-ইউএসএতে মন্দা হলেও কানাডায় প্রবৃদ্ধি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ দাবি ব্যাংক খাতের সংস্কারে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী বন্ধ কারখানা সচল করতে ২০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের, সুদ মাত্র ৭ শতাংশ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে ১৮ শতাংশের বড় প্রবৃদ্ধি, জুনের শুরুতে সামান্য হ্রাস আইএমএফের কাছে নতুন করে আর্থিক সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ মে মাসে রপ্তানি আয় কমেছে ৭.০৯ শতাংশ, ১১ মাসের সম্মিলিত আয় নেমেছে ৪৩.৭৯ বিলিয়ন ডলারে<gwmw style="display:none;"></gwmw> নতুন চেয়ারম্যানকে ঘিরে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ ৩য় দিনে, প্রধান কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুমকি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ: ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকিতে প্রতি তিন টাকার এক টাকা<gwmw style="display:none;"></gwmw>

সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে আত্মবিশ্বাসী সরকার: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব

ঢাকা, ২৩ আগস্ট: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বিশাল বাজারে রপ্তানি সম্প্রসারণ অপরিহার্য।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, রপ্তানি-কেন্দ্রিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমেই দেশ সমৃদ্ধ হবে। শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে আনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্য সমৃদ্ধির একটি নতুন পথ খুলেছে।শনিবার (২৩ আগস্ট) রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে ‘মার্কিন শুল্ক ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

শফিকুল আলম বলেন, মার্কিন পাল্টা শুল্ক আরোপের পর বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। সরকার দুর্বল বা অনভিজ্ঞ—এমন সমালোচনা সত্ত্বেও, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ছিল যে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সফল চুক্তি করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, এই আলোচনায় একটি সুদৃঢ় প্রস্তুতি ছিল। বিশেষ করে, অধ্যাপক ইউনূস মার্কিন সমাজকে খুব ভালোভাবে চেনেন, ড. খলিলুর রহমান বাণিজ্য বিষয়ে অভিজ্ঞ, এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা নিজেও একজন বড় রপ্তানিকারক হিসেবে বৈশ্বিক বাজার সম্পর্কে গভীর জ্ঞান রাখেন।

এসব সমন্বিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার কারণে বাংলাদেশ ভালো ফলাফল নিয়ে আসতে পেরেছে।

প্রেস সচিব উল্লেখ করেন, বাণিজ্য আলোচনা চলাকালীন বিষয়গুলো জনসম্মুখে প্রকাশ না করার একটি প্রথা রয়েছে। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কিছু মহল রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, “ইন্দোনেশিয়া যখন আলোচনা করেছে তখন তো কিছুই প্রকাশ করেনি। কিন্তু এখানে আমরা দেখেছি যে, আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি এবং খুবই ভালো প্রস্তুতি।”

শফিকুল আলম বলেন, “আমরা এমন একটা জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছি, যেটা সবার জন্য লাভজনক।” তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই সফল আলোচনার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও নিবিড় ও উন্নত হবে।